হোম » অপরাধ-দুর্নীতি » শরণখোলা উপজেলায় সিঁদ কেটে পাঁচ বাড়িতে চুরি

শরণখোলা উপজেলায় সিঁদ কেটে পাঁচ বাড়িতে চুরি

শরণখোলা প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় সিঁদ কেটে চুরি হওয়া নতুন কোন ঘটনা নয়। রাত পোহালেই উপজেলার কোথাও না কোথাও চুরি হওয়া খবর শোনা যায়। উপজেলার বেশি ভাগ মানুষ চুরির আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। বুধবার(৫ আগষ্ট) রাতে উপজেলার রাজেশ্বর গ্রামে পাঁচ বাড়িতে চুরি হয়।
ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার একই রাতে রাজেশ্বর গ্রামের হাকিম খান, সৈয়দ হাওলাদার, কালাম হাওলাদার, মিজান জোমাদ্দার ও ওমর জোমাদ্দারের বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ পাঁচ বাড়ী থেকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে জানায় তারা।
গত তিন মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক বাড়ীতে চুরির ধরণ ও প্রকৃতি অনুসন্ধান করে জানা গেছে, অধিকাংশ চুরির ধরণও একই রকম। প্রত্যেকটি বাড়িতে একই ধরণের সিঁদ কাটা হচ্ছে। প্রত্যেকটি বাড়ী থেকে চোরেরা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে সংঙ্গবদ্ধ চক্রের সদস্যরা অবস্থা ও পরিবেশ বুঝে উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে হানা দিচ্ছে। এসব চোরেরা মোবাইল ফোনকেই টার্গেট করছে বেশী। এর সাথে নগদ অর্থ, স্বর্নালংকার লুটছেন।
উপজেলার ধাণসাগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাঈনুল ইসলাম টিপু জানান, তার ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারে কয়েকটি দোকানে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় প্রতি রাতেই হচ্ছে চুরির ঘটনা। কিন্তু কোন চুরির রহস্য উদঘাটন হচ্ছে না। গ্রেফতার হচ্ছে না কেউ। চুরির আতংঙ্কে গ্রামের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছেনা। এ ব্যাপারে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মিটিংয়ে তিনি বার বার অভিযোগ করলেও কোন ফল হয়নি।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এম. সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন, মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তির প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহবান জানান তিনি।
এ ব্যাপারে শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ এস. কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, ইতি মধ্যে কিছু চিহ্নিত চোর গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও অভিযান চলছে। চুরি প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পেট্রলিং নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!