
আওয়াজ অনলাইন: গণহত্যা বিষয়ে গবেষণায় নিয়োজিত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা একাত্তরে বাংলাদেশে সংগঠিত গণহত্যার স্বীকৃতি দিলেও জাতিসংঘ থেকে এখনও স্বীকৃতি আসেনি।
স্বীকৃতি আদায়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মত দিয়েছেন গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ব্যক্তিত্বরা।
মঙ্গলবার গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তারা এই মত দেন।
আমরা একাত্তর, ইউরোপিয়ান ফোরাম বাংলাদেশ ও প্রজন্ম ৭১ যৌথভাবে এই সম্মলনের আয়োজন করে।
১৯৭১ সালে দেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় মাত্র নয় মাসে প্রাণ হারান ৩০ লাখ মানুষ। এতো অল্প সময়ে এতো মানুষকে হত্যার নজির সাম্প্রতিক ইতিহাসে আর নেই। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নাড়া দিলেও আজও এই নৃশংস গণহত্যার স্বীকৃতি মেলেনি। তবে স্বীকৃতি আদায়ে তৎপর রয়েছে সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের। সেখানে অংশ নেয়া ইউরোপিয় প্রতিনিধিদলের সদস্য ডাচ এমপি ও মানবাধিকারকর্মী হ্যারি ভ্যান বোমেল বলেন,বাংলাদেশে সংগঠিত গণহত্যার স্বীকৃতি মিলবে, তবে তার জন্য সক্রিয় ভূমিকা জারি রাখতে হবে।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচর্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, গণহত্যার স্বীকৃতি না হলে সেটির পুনরাবৃত্তি হয়। মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্য তার প্রমাণ।
সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঘাতক দালাল নিমুল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, মানবাধিকার কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিস প্রমুখ।

আরও পড়ুন
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মেলান্দহে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ ধরা পড়ল স্বামী-স্ত্রী
ডিমলায় একদিনে পাঁচ খাতে সরকারি সহায়তা বিতরণের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য