
সজীব আহম্মেদ রিমন, কুবি প্রতিনিধি: প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ১৫তম আর্বতন শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। ভবিষ্যতে বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস নেওয়ার ইচ্ছা আছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য। বুধবার (১৪ই সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটা ত্রিশ মিনিট থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ অনুষদের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের একটি ক্লাসরুমে উপাচার্যকে ক্লাস নিতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ক্লাস করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার সাফল্য বলেন, উনি আমাদেরকে মূলত পড়িয়েছেন স্ট্রাটেজিক ম্যানেজমেন্ট। আমাদের কি ধরণের স্কিলগুলো বেশি কাজে লাগবে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় একদিন লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী নূরে আলম বলেন, ভিসি স্যারের ক্লাস করতে পেরে অত্যন্ত ভালো লাগছে। উনি উনার লাইফ এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করেছেন। কিভাবে গবেষণা করতে হয়, কিভাবে এই বিষয়ে এগোতে হয় সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন। একাডেমিক পড়াশোনার বাহিরে আউট নলেজেও গুরুত্ব দিতে বলেছেন। এছাড়াও উনি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উনার স্বপ্নের কথা বলেছেন। কিভাবে আমরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে নিজেদের এক ধাপ এগিয়ে রাখবো সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন
স্বেচ্ছায় ক্লাস নেওয়ার প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস নিতে অবশ্যই ভালো লাগার কথা, যেহেতু উপাচার্য পরিচয়ের বাইরেও আমার অন্য একটি পরিচয় আমি একজন শিক্ষক। এর আগেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বিভাগে আমি ক্লাস নিয়েছি। তবে আজকে আমি ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ১৫ তম ব্যাচের সাথে স্বেচ্ছায় একটি ক্লাস নিয়েছি। ভবিষ্যতে সময় সুযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও ক্লাস নেওয়ার ইচ্ছা আছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে পারার ব্যাপারে আশাবাদী আমি।

আরও পড়ুন
ঠাকুরগাঁওয়ে চুরি হওয়া ইজিবাইক উদ্ধার, চোরাই মাল কেনাবেচা চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
বাসাইল পৌরসভার ২৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন