
রায়হানুল ইসলাম : পূর্ব বগুড়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী আখের আলীর (৪০) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ। ২২ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার ওমরপুর এলাকায় একটি ধান ক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত আখের আলী বগুড়া শহরতলীর সাবগ্রাম চান্দপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম আলীর ছেলে।
আখের আলীর নামে তার আপন বড় ভাই রাশেদ, যুবলীগ নেতা মানিক ও বালু ব্যবসায়ী সবুজ হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়াও তার নামে ডাকাতি, ছিনতাইসহ আরো ৭-৮ টি মামলা রয়েছে। জানা গেছে, সোমবার সকালে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের পার্শ্বে নন্দীগ্রাম উপজেলার ওমরপুর এলাকায় একটি ধান ক্ষেতে স্থানীয় লোকজন গলাকাটা অজ্ঞাত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ধান ক্ষেতের পার্শ্বের জঙ্গলে একটি কালো রং এর পালসার মোটরসাইকেইল (বগুড়া ল- ১২-১৩৯৯) ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।
জানা গেছে, সন্ত্রাসী আখের আলী শ্রমিক লীগ সাতমাথা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বালু ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবলীগ নেতা মানিক ও বালু ব্যবসায়ী সবুজ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন আখের আলী। নিজের বড় ভাই রাশেদের স্ত্রীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে ভাবীকে বিয়ে করতে ভাইকে খুন করে আখের আলী। পরে আখের আলীর ভয়ে তার ভাবী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, আখের আলীর নামে তিনটি হত্যাসহ অসংখ্য মামলার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। হত্যার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মেলান্দহে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ ধরা পড়ল স্বামী-স্ত্রী
ডিমলায় একদিনে পাঁচ খাতে সরকারি সহায়তা বিতরণের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য