
নন্দীগ্রাম থেকে মামুন আহমেদ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় কোরবানির পশু প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই উপজেলার বিভিন্ন পশুহাটে কোরবানির পশু উঠতে শুরু করেছে। খামারিরা আশা করছেন, পশুখাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও এবারে ভালো দামে পশু বিক্রি করে লাভের মুখ দেখতে পারবেন তারা।উপজেলার রনবাঘা পশুহাট, কুন্দারহাট পশুহাট, ও মঙ্গলবার বাজার হাটসহ বিভিন্ন বাজারে ইতোমধ্যে প্রস্তুতকৃত গরু ও ছাগল নিয়ে আসছেন খামারিরা। স্থানীয়দের মতে, নন্দীগ্রাম উপজেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলার ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ঢাকার বড় খামারিদের নজরও এবার নন্দীগ্রাম রনবাঘা পশুর হট বাজারে রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কল্পনা রানী রায় জানান, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উপজেলায় মোট প্রায় ৪৪ হাজার ৩৩৫ টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ষাঁড় ৯ হাজার ৮৬৬, গাভী১২ হাজার ৮৫৩, মহিষ ৮৬০টি, বলদ ২ হাজার, ছাগল ২৭১০ এবং ভেড়া রয়েছে ৩হাজার ১৩৩ এর বেশি। এছাড়াও বাড়তি চাহিদা রয়েছে ২৮ হাজার ৮৫৩।
তিনি আরও জানান, উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় খামারিরা দীর্ঘ সময় ধরে পশু মোটাতাজাকরণ ও পরিচর্যার কাজ করে আসছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে সহযোগিতা করছেন।উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ৩নং ভাটরা ইউনিয়নের এগ্রো ফার্মের মালিক আলহাজ্ব মোস্তফা প্রামানিক জানান, আমি কোরবানির জন্য সর্বমোট ৬০টি গরু প্রস্তুত করেছিলাম ইতিমধ্যই ৪৫০ টাকা কেজিতে ৫০টি গরু বিক্রয় করেছি এখনো ১০টি গরু রয়েছে। এই উপজেলার আরো বেশ কিছু খামারিরা জানান, এক বছর ছয় মাস কিংবা তিন মাস ধরে যত্ন নিয়ে পশু পালন করা হয়েছে। তবে পশুখাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ভারতীয় গরু প্রবেশ না করলে দেশীয় খামারিরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা।

আরও পড়ুন
প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর
বগুড়ার মহাস্থানে গলি থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পিবিআই
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ৫৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার