
অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ২০ মিটার যা বিপদসীমা ১২ দশমিক ৯০ মিটার থেকে ১৭০ সেন্টিমিটার নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানেও পানি ৬৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডে সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, উজানের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনা নদীর পানি সামান্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও বর্তমানে পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে, তবে যদি আগামী কয়েকদিন উজানে আরও বৃষ্টিপাত হয়, তাহলে নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবন দেখা দিতে পারে। আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি।
এ দিকে নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজীপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় ফসলি জমি ও চরাঞ্চলগুলোতে হালকা প্লাবিত হচ্ছে।
কাজীপুর উপজেলার চরগিরিশ ইউনিয়নের বাসিন্দা রউজ উদ্দিন বলেন, গত দুদিনে পানি বেড়ে ধানক্ষেতে ঢুকে পড়েছে। এখন যদি আরও বাড়ে, তবে পাকা ধান ও সবজির ক্ষতি হতে পারে।
চৌহালী উপজেলায় স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, প্রতিবার বর্ষার সময় যেভাবে ভাঙন শুরু হয়, এবারও তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কৃষি কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
উল্লেখ্য, যমুনা নদীর পানি সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকে। তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধির এ প্রবণতা কিছুটা অস্বাভাবিক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মেলান্দহে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ ধরা পড়ল স্বামী-স্ত্রী
ডিমলায় একদিনে পাঁচ খাতে সরকারি সহায়তা বিতরণের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য