
তিনি জানান, পারিবারিক কিছু জটিলতার কারণে গত মার্চ মাসে শহরের ফরিদ হোসেন নামের এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া ওঠেন। বাসা ভাড়া নেওয়ার পুরো বিষয়টি তদারকি করেন ফরিদের ভাগ্নে ইদ্রিস আলী। চুক্তি অনুযায়ী তিন বছরের অগ্রীম ভাড়ার পরিবর্তে উর্মী তার মায়ের দেয়া শেষ স্মৃতি ৪ভরি ওজনের একটি সোনার চেইন তুলে দেন ইদ্রিসের হাতে।
কিন্তু চেইন হাতে পেয়েই বদলে যেতে থাকে ইদ্রিস ও তার মামা ফরিদের আচরণ। ভাড়া দেওয়ার কথা অস্বীকার করে উর্মীকে বাসা থেকে জোর করে বের করে দেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করে তারা। শুধু তাই নয়, ইদ্রিস একাধিকবার উর্মীর একাকীত্বের সুযোগ নিয়ে তাকে কুপ্রস্তাব দেয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উর্মী বলেন, “এই শহরে আমি কাউকে চিনতাম না। বিশ্বাস করে শেষ সম্বলটা তুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, কত বড় ভুল করেছি। ইদ্রিস শুধু প্রতারণাই করেনি, সে আমাকে বারবার মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। থানায় জানিয়েছি, কিন্তু এখনও কোনো সুবিচার পাইনি। আজ আমি শঙ্কিত, আতঙ্কিত প্রাণনাশের ভয়ে দিন কাটাচ্ছি। তিনি আরও জানান, বারবার আইনের আশ্রয় চেয়েও কোনো সুরাহা না পেয়ে আজ বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যম ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, উর্মী খাতুন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ও তার সোনার চেইন ফিরিয়ে দেওয়া এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।
কথা হলে বাড়ির মালিক ফরিদ হোসেন ও তার ভাগিনা ইদ্রিস আলী বলেন, অভিযোগ গুলো সঠিক নয়। উর্মীর কয়েক মাসের ভাড়া বাঁকি রয়েছে। যার কারনে এমনটা মিথ্যা কথা ছড়াতে পারে। চেইন নেওয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি। এসব মিথ্যা রটানোর কোন মানে হয়না।

আরও পড়ুন
চিলাহাটি রেলস্টেশনে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ
গোপালপুরে বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এর বাবা ইন্তেকাল করেছেন