
আটককৃত মনোয়ার হোসেন দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাউলা পাড়া এলাকার বাসিন্দা আইজুল মাস্টারের ছেলে এবং তিনি সদর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মধ্যরাতে গৃহবধূ রাব্বীনার ঘরে প্রবেশ করেন মনোয়ার। এ সময় রাব্বীনার তিন মাসের সন্তান কান্নাকাটি করলে দেবর গৃহবধূর ঘরে পুরুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পান। পরে তিনি এলাকাবাসীকে ডেকে আনেন এবং ঘরের দরজা খুলে বিছানায় মনোয়ার হোসেনকে শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান। এলাকাবাসী সঙ্গে সঙ্গেই তাকে আটক করে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রনি ইসলাম জানান, তার ভাতিজি কান্নাকাটি করলেও ভাবীর কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তিনি ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে পুরুষ কণ্ঠ শুনতে পান। পরে মা ও পাশের চাচাকে ডেকে এনে দরজা খোলার পর মনোয়ারকে বিছানায় দেখতে পান।
পরকীয়া সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে গৃহবধূ রাব্বীনা বলেন, মনোয়ারের সাথে আমার দীর্ঘ দুই বছরের সম্পর্ক। আমি নিষেধ করা সত্ত্বেও সে রাতে আমার বাসায় চলে আসে। এখন আমার স্বামী যদি আমাকে গ্রহণ না করে, আমি মনোয়ারের কাছে যাবো।”
অন্যদিকে, পরকীয়া সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন বলেন, রাব্বীনা তাকে ফোন করলে দেখা করতে আসেন এবং তাকে আটকে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, গৃহবধূর স্বামী ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি আসার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত ইউপি সদস্য মনোয়ার ও গৃহবধূ রাব্বীনাকে গ্রাম পুলিশের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ
গোপালপুরে বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এর বাবা ইন্তেকাল করেছেন
বগুড়ায় ২ বছরের শিশুকে অপহরণ চেষ্টা, প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা