
কোটা সংস্কার আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকৃতরা হলেন- এসআই আমীর হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র।
রংপুরের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বিক্ষোভকারীদের ছোড়া গুলি ও ইট-পাটকেলের আঘাতে আবু সাঈদের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশ। মামলার এজাহারে এ তথ্য দিয়েছে তারা। তবে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তাতে কোনো পুলিশ সদস্যের দায় পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর এজন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে বলছে তারা।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার পরেই তাদের ক্লোজ করা হয়। পরবর্তীতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১ অগাস্ট তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আইন মোতাবেক আবু সাঈদের মৃত্যুর সুরতাহাল হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। এটা পেলে হয়তো মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। তদন্ত চলছে, তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হলেই পুরা বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
গত ১৬ জুলাই পুলিশ ও কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে রাবার বুলেটের আঘাতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদ। এর পর থেকেই নতুন মাত্রা পায় কোটাবিরোধী আন্দোলন। সন্ধ্যার পরপরই দুঃখ ও শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দেয় বিশ্বিবদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
-আওয়াজ অনলাইন-

আরও পড়ুন
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ
ঢাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের বিজয় ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে চুনকালি
শিবিরের পক্ষে ভোট কারচুপি হয়েছে, অভিযোগ তিন ভিপি প্রার্থীর