JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
সংবাদ শিরোনাম:

১৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রশস্ত হচ্ছে দাগনভূঞার ৫ টি আঞ্চলিক মহাসড়ক

আবদুল মুনাফ পিন্টু: 

 ফেনীর সদর হতে এলাহিগঞ্জ কোরাইশমুন্সি হয়ে তুলাতুলি বাজার পর্যন্ত ২২.৭ কি.মি. সড়কটি খুবই ব্যস্ততম সড়ক। সিলোনিয়া থেকে আমুভূঞা বাজার, প্রতাপপুর হয়ে সেনবাগ উপজেলা পর্যন্ত ১৩ কি.মি এ সড়কটিতে অনেক আঁকা বাঁকা মোড় রয়েছে। তবে এ সড়ক দুই উপজেলার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। দাগনভূঞা বাজার থেকে কোম্পানিগঞ্জ থানার বসুরহাট পযর্ন্ত ১২ কি. মি. এ আঞ্চলিক মহাসড়কটিতে ভারী যানবাহন বেশি চলাচল করে। দাগনভূঞা বাজার থেকে ফাজিলেরঘাট রোড় হয়ে চৌধুরীহাট পর্যন্ত ৬.৫ কি.মি. এ সড়কটিতে ফুটপাতের কারণে যানবাহন চলাচলে অসুবিধা হয়। রামানন্দপুর রাস্তার মাথা থেকে সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুন্সি বাজার পর্যন্ত ১৩.৫ কি.মি. এসড়কটির অনেক বাঁকা মোড় এবং রাস্তা প্রস্থ ছোট।

এসব সড়কগুলোর ধারে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভবন। যান আর পথচারীরা ওই সড়ক গুলো দিয়ে যানবাহনের সাথে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয়। দাগনভূঞা উপজেলার এ গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে ১৫০টিরও বেশি বাঁক। এসব ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে প্রায় দিনই ঘটে দূর্ঘটনা। এদিকে রাস্তা গুলো উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হওয়ার পরও দীর্ঘদিন প্রশস্ত করা হয়নি প্রায় রাস্তা মাত্র ১২ ফিট প্রশস্থ ছিল। তার মাঝে সড়কের প্রায় অংশে বেসরকারি প্রভাবশালীরা দখল করে ফুটপাত সৃষ্টি ব্যবসা বাণিজ্য করে।

দাগনভূঞা পৌরসভার মেয়র ওমর ফারুক খাঁন জানান, পৌরসভার ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে অসুবিধা হতো। এ সড়ক সংস্কার ও প্রশস্ত করণের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে ফেনী সড়ক ও জনপদ বিভাগ। দাগনভূঞা ফাজিলেরঘাট থেকে চৌধুরীহাট পর্যন্ত ৬.৫ কি. মি. সড়কটির প্রশস্থ করণে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল হুদা ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাহাব উদ্দিন।

ওমর ফারুক খাঁন বলেন, পৌরসভার ও উপজেলার আঁকাবাঁকা ও সরু সড়কগুলো সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও ভাঙন রোধে প্রতিরোধক দেওয়াল নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা। এ বরাদ্দের কাজ সম্পন্ন হলে বদলে যাবে দাগনভূঞার সড়কগুলো।

এদিকে ফেনীর সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন বলেন, জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যথাযথ মান উন্নতকরণ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে দাগনভূঞা উপজেলার পাঁচটি সড়কের প্রায় ৬৭.৭ কিলোমিটার পর্যন্ত সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি বলেন, চারটি সড়ক ১২ ফিট থেকে ১৮ ফিট এবং দাগনভূঞা বাজার থেকে বসুরহাট পর্যন্ত সড়কটি ১৮ ফিট থেকে ২৪ ফিট প্রশস্থ করা হবে। এর মাধ্যমে দাগনভূঞাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে।
মো. জাহিদ হোসেন বলেন, এ প্রকল্পে খালের ভাঙন রোধে প্রায় জায়গায় রিটেইনিং ওয়াল, আরসিসি ওয়াল এবং প্যারাসাইডিং ওয়াল নির্মাণ করা হবে। যেখানে যেখানে বাজার আছে ওইখানে বি ড্রেনসহ ৮০০ মিটার ফুটপাত করা হবে। তিনি বলেন, আঁকাবাঁকা সড়ক গুলোকে সোজা করা সম্ভব নয়।

সওজ সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এ কাজের দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে গত অর্থ বছরেই কাজ শুরু হয়েছে।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে দিয়েছে। সড়ক গুলোর কাজ সম্পন্ন হতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে।

সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

About আওয়াজ অনলাইন

x

Check Also

সিরাজগঞ্জে বিরল প্রজাতির মদন টাক পাখি উদ্ধার 

হুমায়ুন কবির সুমন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জে বিরল প্রজাতির একটি মদন টাক পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ...

error: Content is protected !!