JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.

ভালুকার মল্লিকবাড়ীতে আখ চাষে সাফল্য স্থানিয় কৃষকদের

অার‌িফুল ইসলাম আরিফ,ময়মনসিংহ,ভালুকা, প্রতিনিধি: ভালুকার মল্লিকবাড়ীতে আখ চাষে সাফল্য স্থানিয় কৃষকদের।জানাযায়,ভালুকার মল্লিক বাড়ীতে আখ চাষে সাফল্য পাচ্ছেন কৃষকরা ব্যাপক ফলন পাওয়ায় আখ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকে ফলন ভাল হওয়ায় আখ চাষের আবাদ দিন দিন বাড়ছে ভালুকায়।এতে বর্তমান চাষীদের পাশাপাশি নতুনরাও আখ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।ময়মনসিংহ জেলার ভালুকার মল্লিক বাড়ীতে দো-আঁশ মাটি হওয়ায় এখানে আখ চাষে গত কয়েক বছরে বেশ সফলতা পেয়েছেন স্থানিয় কৃষকরা।এবারও সেই ধরাবাহিকতা থাকবে বলে মনে করছেন কৃষকরা।অপরদিকে আখের তুলনায় ধান,পাট ও অন্যান্য ফসল আবাদে খরচ বেশি।তাই এসব ফসল চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা।ভালুকায় সরোজমিনে,দেখা যায়,উপজেলার পশ্চিমের গ্রামগুলোতে আখ চাষ করে কৃষকরা আশানুরূপ ফলনও পেয়েছেন।বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে ভালো জাতের আখ চাষ করে স্বাবলম্বীও হয়েছেন শতাধিক কৃষক।চলতি মৌসুমে ভালুকা উপজেলার শত শত হেক্টর জমিতে আখের চাষ হয়েছে।কৃষকরা এ বছর হলুদ রঙের আখ,চিবিয়ে খাওয়া আখ,টেনাই ও অমৃত জাতের আখের আবাদ করেছেন। এ ছাড়া আখের পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমের শাক-সবজি চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।মল্লিক বাড়ীর গ্রামের অনেক কৃষক সফল হয়েছেন আখ চাষে প্রত্যেকেই আর্থিক ভাবে সফল্য পেয়েছেন।আখ চাষী মো: নুর মোহাম্মদ জানান,তিনি ১৫ কাঠা জমিতে আখ চাষ করেছেন।তিনি আখের চারা লাগানোর পর থেকে জমিতে ইউরিয়া,পটাশ, টি,এস,পি, দানাদার,ফুরাডান সহ ইত্যাদি সার/বিষ প্রয়োগ করেছেন।তিনি বলেন,প্রথমে জমির মাটি আধা ফুট গর্ত করতে হয়।গর্তে রেখে মাটির সঙ্গে বিভিন্ন সার মিশিয়ে আখের চারা রোপণ করা হয়।বয়স এক বছরের মাঝামাঝি হলে আখ বিক্রির উপযুক্ত হয়।আখ চাষে সার ও কীটনাশক তেমন ব্যবহার করতে হয় না।তবে সেচের প্রয়োজন পড়লে সেচ দিতে হয়।তিনি জানান,কম পরিশ্রমে ও অল্প ব্যয়ে বেশি সফলতা পাওয়ায় মল্লিক বাড়ী সহ আশেপাশের  কৃষকরা আখ চাষে বেশ আগ্রহী হচ্ছেন।তিন (সন্তানের জনক)মো:নুর মোহাম্মদ,আরো জানান,আমি ভালই লাভমান হয়েছি।তবে উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভালুকায় নেই আখ চাষিদের জন্য কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা তেমন নেই।স্থানিয় আখ চাষিরা জানান,এ চাষের জন্য সরকারী সহায়তা পেলে আরো আখ চাষে সাফল্য বয়ে আনবে মনে করেন অনেকে।নয়নপরের আখ চাষীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,এ বছর আখের ফলন ভালো হয়েছে।তিনি তাঁর দুই একর জমিতে হলুদ বর্ণের (গ্যান্ডারি) চাষ করে লাভবান হয়েছেন।১২ হাজার টাকা খরচ করে আখ চাষ করেছিলেন তিনি,পরে তা ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করি।স্থানিয়রা জানান, মল্লিক বাড়ীর মাটির গুণগত মান খুবই ভাল।তাই সময় মতো আখের চারা রোপণ করতে পারলে ফলন ভালো হয়।বর্তমানে ধান ও পাটের তুলনায় আখ চাষে খরচ কম হওয়ায় আখ চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে কৃষকরা।এ আখের রস এবং গুড় তৈরী করে বাজারে বিক্রি সহ ঢাকাইয়া ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভরে আখ নিয়ে যায়।সূধীজনেরা মনে করেন,যদি সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বীজ ও সার,প্রশিক্ষন,অর্থিক সহায়তা দেওয়া যেত তাহলে অনেক কৃষক অনেক উপকৃত হতো।

সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

About আওয়াজ অনলাইন

x

Check Also

ধুনট সোনাহাটায় বিএনপির মতবিনিময় সভা

এম. এ. রাশেদ বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলার সোনাহাটা বাজারে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ...

error: Content is protected !!