JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
সংবাদ শিরোনাম:

রাগ স্বাভাবিক মানবিক আবেগ

হাসি, আনন্দ, দুঃখ, মানুষের জীবনে যেমন সত্যি, ঠিক তেমনই সত্যি রাগ। আচ্ছা, মানুষ কেন রাগ করে? এই প্রশ্নের উত্তর আসলেই জটিল। আর এই রাগ করার কারণও থাকতে পারে অসংখ্য। অনেকেই আবার রেগে গিয়ে ভাঙচুর শুরু করে দেন।

আমরা যেমন আনন্দ-বেদনা-হতাশার মত নিত্য-নৈমিত্তিক আবেগের কথা বলি, ক্রোধ বা রাগও তেমন একটি আবেগ। তারপরও কথা হলো, এই রাগকে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন আপনি। কারণ রাগের জন্যই মানুষের মধ্য থেকে অনেক ইতিবাচক বিষয় হারিয়ে যায়। আপনজনেরা ভুল বোঝে। সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। বন্ধুত্বের অটুট বন্ধন শেষ হয়ে যায়, প্রেমের সমাপ্তি ঘটে। তাই রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটা জরুরি। 

আসুন, রাগ করার আগে নিজের মুখোমুখি হই। আপনার অনেক রাগ, সেটা বুঝুন প্রথমে এবং তার জন্য আপনি ছাড়া আর কেউ দায়ী নয়৷ কারণ যে ঘটনায় আপনি রেগে যান, তাতে অন্য অনেকেই দিব্যি মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন৷ এবার ঠিক করুন রাগ কমাবেন এবং প্রস্তুতি নিয়ে কাজে নেমে পড়ুন৷

প্রথমেই কোন কোন ঘটনায় রেগে যান তার একটি তালিকা করে ফেলুন৷ সে রকম পরিস্থিতি যাতে না হয় সে চেষ্টা শুরু করুন৷ আমি জানি, এটি শুরুতে অনেক কঠিন এবং তার জন্য যদি নত হতে হবে আপনাকে। সে-ও ভালো৷ নত হতে হয়েছে বলে যদি খারাপ লাগে, ভেবে দেখুন এর বিনিময়ে আপনার শরীর, মানসিক শান্তি, সম্পর্ক সবই কিন্তু রক্ষা পেল৷

চেষ্টা করেও পরিস্থিতি এড়াতে না পারলে প্রতিজ্ঞা করুন, যা-ই ঘটুক আপনি শুধু শুনে বা দেখে যাবেন, রাগবেন না৷ এমন কথা বলবেন না যাতে পরিস্থিতি জটিল হয়৷

প্রথম প্রথম চেষ্টা বিফলে যেতে পারে, অস্থির হবেন না৷ অন্য ইমোশনের মতো রাগও খানিক ক্ষণের মধ্যে কমতে শুরু করবে৷

ধৈর্য ধরুন৷ মুখ বন্ধ রাখুন৷ সম্ভব হলে সে জায়গা থেকে সরে যান। হনহন করে হেঁটে আসুন, মাথায় জল ঢালুন কি ঘরের কাজ করুন বা কারও সঙ্গে কথা বলে মাথা ঠান্ডা করে নিন৷

এসব কোনওটাই সম্ভব না হলে কাজে আসবে সুইচ অফ-সুইচ অন মেকানিজ্ম এবং ভিস্যুয়াল ইমেজারি৷ এটি হলো পরিস্থিতির মাঝখানে বসে গভীরভাবে অন্য পছন্দের কিছু ভাবা যাতে মন চলে যায় অন্য কোনও রাজ্যে৷ বিশেষজ্ঞের কাছে শিখে ঘরে প্র্যাকটিস করলে বিপদের সময় কাজে লাগবে৷

যোগাসন, মেডিটেশনে শরীর-মন ঠান্ডা থাকে৷ চট করে রাগ ওঠে না৷ বা উঠলেও সহজে নেমে যায়৷

কি কি কাজ করলে আপনার মন-মেজাজ খুব ফুরফুরে থাকে তা আপনি ভালো করেই জানেন। রাগান্বিত অবস্থায় সেগুলো মনে করার চেষ্টা করুন। রাগ কমানোর দারুণ একটি শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম রয়েছে। যখনই রাগ উঠবে এই ব্যায়ামটি করুন।

খুব গভীরভাবে শ্বাস নিন। ধরে রাখুন ৫-৭ সেকেন্ড তারপর শ্বাস ছাড়ুন এবং আবার শ্বাস নিয়ে ধরে রাখুন। এভাবে ব্যায়ামটি করতে থাকুন যতক্ষণ না আপনি নিজে শান্ত হচ্ছেন। এটি বেশ ভালো একটি ব্যায়াম রাগ কমিয়ে আনার।

আমাদের সব সময় একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, রাগের মাথায় কিছু করলে তার ফল কখনোই ভালো হয় না। অতএব রাগের আগুন বশে রাখুন।

(চলবে)

 

সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

হাসি, আনন্দ, দুঃখ, মানুষের জীবনে যেমন সত্যি, ঠিক তেমনই সত্যি রাগ। আচ্ছা, মানুষ কেন রাগ করে? এই প্রশ্নের উত্তর আসলেই জটিল। আর এই রাগ করার কারণও থাকতে পারে অসংখ্য। অনেকেই আবার রেগে গিয়ে ভাঙচুর শুরু করে দেন। আমরা যেমন আনন্দ-বেদনা-হতাশার মত নিত্য-নৈমিত্তিক আবেগের কথা বলি, ক্রোধ বা রাগও তেমন একটি আবেগ। তারপরও কথা হলো, এই রাগকে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন আপনি। কারণ রাগের জন্যই মানুষের মধ্য থেকে অনেক ইতিবাচক বিষয় হারিয়ে যায়। আপনজনেরা ভুল বোঝে। সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। বন্ধুত্বের অটুট বন্ধন শেষ হয়ে যায়, প্রেমের সমাপ্তি ঘটে। তাই রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটা জরুরি।  আসুন, রাগ করার আগে নিজের মুখোমুখি হই। আপনার অনেক…

Review Overview

User Rating: Be the first one !

About তুহিন নিজাম

বিশেষ প্রতিনিধি।
x

Check Also

 বগুড়ার ধুনটে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

এম. এ. রাশেদ বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার ধুনটে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ...

error: Content is protected !!