
আওয়াজ অনলাইন: রাশিয়া-মালয়েশিয়ায় আলু রপ্তানি হতো আগেই, এবার প্রক্রিয়াজাত করে আলু রপ্তানি করবে বাংলাদেশেরই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, ভ্যালেনসিয়া নামে নতুন জাতের আলু প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা হবে জাপানে।
তারা বলেন, সাধারণ আলু পাঠানোর চেয়ে তা কেটে টুকরো করে রান্নার উপযোগী করে পাঠানোয় এর মূল্য অনেক বেশি।
বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে এক কোটি টন আলু উৎপাদন হয়। যদিও দেশের বাজারে চাহিদা ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন।
ফ্রেঞ্চফ্রাইসহ নানা উপাদেয় খাবারের জন্য বিশ্ববাজারে আলুর চাহিদা আছে। কিন্তু দেশের প্রচলিত জাতের আলুতে জলীয় অংশ বেশি থাকায় প্রচুর উৎপাদন হলেও রপ্তানি হয় কম।
তাই নেদারল্যান্ডস থেকে আনা ভ্যালেনসিয়া জাতের আলু ২০২০ সালে বীজ নিবন্ধন পায় দেশে চাষাবাদের।
এসিআই এগ্রি-বিজনেসের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী জানান, এসিআই ১০ নামে এ আলুতে ড্রাই মেটার ২১ শতাংশ থাকায় প্রক্রিয়াজাত করে এবার জাপানে রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানিটি।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাংলাদেশের ভ্যালেনসিয়া জাতের আলুর নমুনা জাপানের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর গুণগত মান বেশ ভাল ও সুস্বাদু বলে জানিয়েছে জাপানী আমদানিকারক কোম্পানি। সরাসরি আলু পাঠানোর চেয়ে রান্নার উপযোগী প্রক্রিয়াজাত করে আলু রপ্তানিতে মূল্য পাওয়া যায় কয়েকগুণ বেশি বলেও জানান তিনি।
আলু রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি ড. ফেরদৌসী বেগম জানান, জাপানে আলু হয়না। তারা ইউরোপ থেকে আলু নেয়। শুধু জাপান নয়, এই আলু বিশ্বের নানা দেশেই রপ্তানি সম্ভব।
চলতি বছরে উত্তরবঙ্গের কয়েক জেলায় ভ্যালেনসিয়া জাতের আলু চাষাবাদ শুরু হয়েছে। শুধু আলু রপ্তানি নয়, বাংলাদেশে যৌথভাবে আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে জাপানী কোম্পানি।

আরও পড়ুন
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি