
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের নাংলু গ্রাম। বাঙ্গালী শাখা নদীর তীরবর্তী গ্রামীন কৃষকের ফসলি জমি। জমি পেরিয়ে গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় নির্মিত হয় ঈদগাহ মাঠ।
মাঠে যাতায়াতের জন্য একটি সড়কও নির্মান করে গ্রামবাসী। প্রতিবছর বন্যায় ভাঙনের কবলে পড়ে যেমন বিলিন হয়েছে কৃষকের ফসলি জমি, তেমনি নদী গর্ভে বিলিনের পথে এ গ্রামের একমাত্র বৃহত্তম ঈদগাহ মাঠ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নাংলু গ্রামে কয়েক হাজার লোকের বসবাস। এ গ্রাম ছাড়াও আশেপাশের এলাকার মানুষ ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসতো। কালের বিবর্তনে ঈদগাহের জনগোষ্ঠী কমে গেলেও আজও সুনাম রয়েছে এলাকা জুড়ে।
এই ঈদগাহ মাঠের পূর্বপাশ দিয়ে বাঙ্গালীর শাখা নদী বহমান। যেটি বাঙালি নদী থেকে তরুণী হাটের দিকে প্রবাহিত হয়েছে। প্রতিবছর বন্যার সময় মাঠের পূর্বপাশের জমিগুলো নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এবং খরস্রোতের কারণে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বর্তমানে মাঠের সিমানা পর্যন্ত এসেছে। বমগারা থেকে মাঠে প্রবেশের জন্য যে সড়কটি নির্মান করা তাও আজ বিলিনের পথে।
প্রতিবছর এভাবে নদী ভাঙ্গতে থাকলে মাঠসহ অন্যান্য জমি বিলিন হয়ে যাবে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা। আরিফুর রহমান নামের স্থানীয় এক শিক্ষক জানান, মাঠটি রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে বিপাকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধি হিসেবে জমি ক্রয় করে নতুন মাঠ তৈরি করা গ্রামবাসীর পক্ষে শুধু কষ্টকরই নয়, বরং অসম্ভব।
নাংলু গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই ঈদগাহ মাঠটিকে রক্ষায় বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্বিক সহযোগিতা ও বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্যের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন
লালমোহনে খাটের নিচ থেকে ৩৪ বস্তা চাল উদ্ধার
আওয়ামীলীগ জন্মলগ্ন থেকে দেশের ক্ষতি করেছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
বগুড়া শেরপুরের চুরি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আফিল পিন্টু গ্রেপ্তার