
নির্বাচন সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সংস্কারের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে অংশীজনের সুস্পষ্ট মতামত নিলেও কোনো সংলাপের বসার ‘দরকার’ নেই।
তিনি বলেন, সরাসরি আলোচনা না হলও নির্বাচন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত, প্রস্তাব ও সুপারিশগুলো আমরা নেব। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের নয়। নির্বাচন ব্যবস্থা বা নির্বাচন কার্যক্রম সুন্দরভাবে করার জন্য আমাদের কাজ হলো কিছু সুপারিশ করা। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই আমাদেরকে সুপারিশ দেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছে। আমরা এর মধ্যেই সুপারিশ করবো।
নির্বাচন কমিশন নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটির প্রজ্ঞাপন হয়েছে কিন্তু আপনারা সার্চ কমিটির সংস্কারের প্রস্তাব দিতে চেয়েছিলেন, এই বিষয়ে জানতে চাইলে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বর্তমানে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন। আর নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। সার্চ কমিটি তার নিজস্ব গতিতে কাজ করবে এবং আমরা আমাদের মতো কাজ করবো।
তিনি বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ১২ টি সভা করেছি। এগুলো ফরমাল, ইনফরমালি আরো আলাপ আলোচনা করেছি। আমরা যে ইস্যুগুলো চিহ্নিত করবো, তার ভিত্তিতে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেব। মতামত নেওয়ার পর আমরা সরকারের সুপারিশ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হবো। প্রবাসী ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন সেই বিষয়েও আলোচনা করেছেন বলেও জানান তিনি। এর আগে ১১টি বৈঠক হলেও সাত সদস্যের সংস্কার কমিশনের ছাত্র প্রতিনিধি যোগ হলো বৃহস্পতিবার৷ একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিকা আরমান সদস্য হওয়ায় তাকে ধন্যবাদ দেন বদিউল আলম মজুমদার।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. তোফায়েল আহমেদ, জেসমিন টুলী, ড. মো. আব্দুল আলীম, জাহেদ উর রহমান, মীর নাদিয়া নিভিন, মোহাম্মদ সাদেক ফেরদৌস, ইসির সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন এবং উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।
-আওয়াজ অনলাইন-

আরও পড়ুন
মাস্টার্স পাস করেও কর্মহীন ৯ লাখ তরুণ: দিশেহারা উচ্চশিক্ষিত বেকার সমাজ
জুলাই থেকে বকেয়াসহ নিয়মিত বেতন স্বাভাবিক হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
‘বাংলার জয়যাত্রা’ ১১৫ দিন পর হরমুজ পার হলো