
খোরশেদ আলম, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: ধর্ষণ মামালার ২ আসামীর পালানোর ঘটনায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার এক এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) শহিদুল ইসলাম সোনাইমুড়ী থানার এসআই ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আবদুল কুদ্দুছ ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসকে নোয়াখালী পুলিশ সুপার অফিস থেকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রসাশন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি
খীসাকে আহবায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি ঘটন করা হয়েছে। বুধবার বিকালে ধর্ষণ মামলার কৌশলে পালিয়ে যাওয়া ২ আসামীর মধ্যে রাতভর অভিযান করে মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ীর মোঃ দেলোয়ার(২৮) কে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পালিয়ে যাওয়া অন্য আসামী মোঃ জুয়েলকে পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। উল্লেখ্য, আদালতের
নিদের্শে বুধবার ধর্ষণ মামলার আসামী ও ভিকটিমকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকার মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। ফেরার পথে গজারিয়া হাইওয়ে এলাকায় আল মদিনা হোটেলে তারা দুপুরে খাবার খেতে নামে। এ সময় আসামীরা টয়লেটে যাবেন বলে পুলিশকে বলে টয়লেটে প্রবেশ করে। এরই ফাঁকে আসামীরা ২টি টয়লেটের জানালা ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পলাতকরা হলো, সোনাইমুড়ী থানার বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া ব্যাপারী
বাড়ীর মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মোঃ জুয়েল (২৪) ও একই থানার বগাদিয়া গ্রামের সদাগর বাড়ীর মৃত আবদুল লতিফের ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন (২৮)। নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম জানান পলাতক আসামী ২ জনের মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলার দায়ে ৩ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও ওসি তদন্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার তদন্তে নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান করে একটি কমিটি ঘটন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
নাগরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজায়নের নতুন প্রত্যয়
ব্যাংক চেক-সংক্রান্ত মামলায় হয়রানি রোধে আইন সংস্কারের দাবি, সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল