
মোঃআবদুল মুনাফ পিন্টু: ফেনী দাগনভূঞা উপজেলায় কঠোর লক ডাউন চলাকালীন ও করোনা উপসর্গে ব্যবহৃত চলমান প্যারাসিটামল সকল প্রিপারেশন তীব্র সংকটে রয়েছে। এতে জনসাধারন রীতিমত ভোগান্তিতে পড়ছেন এ ঔষধের কারণে। জানা যায়, কঠোর লক ডাউন চলাকালীন সময়ে করোনা বৃদ্বি পাওয়ায় সবাই প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ কিনে রাখেন। তারমধ্য সাধারণ জনগন প্যারাসিটামল বেশী চিনেন এবং কিনেন।
মেডিক্যাল ভাষায় এটি ওটিসি প্রোডাক্ট যা মানুষ চিনে জানে এবং কিনে। বিভিন্ন ঔষধ দোকানদার জানান, মানুষ দোকানে এসে যদি সাধারণ প্রয়োজনীয় ঔষধটি না পান তাহলে ক্রেতা এবং বিক্রেতার অবস্থাটা কোন পর্যায় আছে আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই। এদিকে প্যারাসিটামল প্রিপারেশন এর বিভিন্ন গ্রুফের ৫০০ এমজির সাথে ক্যাপেইন, এক্স আর ৬৬৫ এমজি ১ মিলিগ্রাম প্রিপারেশন সব কোম্পানির সরবরাহ সংকটে রয়েছে দাগনভূঞা
উপজেলা। এছাড়া এন্টিবায়োটিক এ্যামোক্সিসিলিন ও ক্লাভোনানিক এসিড, সেফুরোক্সিম ও ক্লাভোনানিক এসিড সংযুক্ত এন্টিবায়োটিক গত একমাস সাপ্লাই সর্ট বলে জানানো হয়েছে। অনেক দোকানে পাওয়া গেলেও তা ফেনী কিংবা অন্যত্র থেকে সংগ্রহ করেন বলে জানান বিক্রেতারা। পাইকারি দোকানে অর্ডার করলেও চাহিদা মোতাবেক পাওয়া যায় অতি সামান্য। দাগনভূঞায় কর্মরত ঔষধ কোম্পানির সিনিয়র মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার রাজিব
নাথ বলেন, সাপ্লাই ঠিক আছে কিন্ত মানুষের চাহিদা অনুযায়ী বেশী কিনে বাসা বা বাড়িতে সংরক্ষন করে রাখেন সেজন্য কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়। চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়াতে সরবরাহ কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। দোকানের পর্যাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী আসছে কম আশা করি দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে। দাগনভূঞা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সভাপতি মিলন
সওদাগর জানান, শতাধিকের অধিক ফার্মেসীতে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম দিচ্ছে কোম্পানিগন। মাঝে মধ্যে সাপ্লাই দেন তবে আনুপাতিকহারে কম। এদিকে ২টি এন্টিবায়োটিক একমাস যাবত পাওয়া যাচ্ছেনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ গুরুত্বপূর্ণ ঔষধগুলো সংকটে জনসাধারন চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান