
আল-হেলাল: ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৯ শত কেজি ভারতীয় চাপাতা সহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তি ও তার পলাতক সহযোগীদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ বি ধারায় দোয়ারাবাজার থানায় মামলা নং ১৯ তাং ২৯/৭/২০২১ইং দায়ের করা হয়েছে। ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের এসআই মোঃ শামীম আকনজি,এসআই মোঃ মাহমুদুল
হাসান ও এএসআই মোঃ সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ দোয়ারাবাজার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত চাপাতাসহ চোরাকারবারী আতিকুর রহমান (২৪) কে আটক করেন। আটককৃত আতিক দোয়ারাবাজার থানার ১নং বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামের বাবুল মিয়ার পুত্র। এলাকাবাসী জানান,আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাকি দিয়ে চোরাকারবারী আতিকুর রহমান ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন যাবৎ সীমান্ত এলাকা অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করে অবৈধভাবে চাপাতা সহ বিভিন্ন ভারতীয় মালামাল চোরাইপথে আমদানী করে যাচ্ছিলো। এলাকার
মানুষ জানলেও তাদের বেআইনী ও অবৈধ ব্যবসা সম্পর্কে কখনও কেউ কোন প্রতিবাদ করেনি। বৃহস্পতিবার সকালে ডিবি পুলিশ,চোরাকারবারী আতিকুর রহমানের বসতঘরে অভিযান চালিয়ে চোরাইভাবে আমদানী করা ২৫ বস্তা চাপাতার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় রত আতিকুর কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পুলিশের তল্লাসিকালে দেখা যায় আটককৃত ২৫ প্যাকেট চাপাতার বস্তায় ভারতের আসাম প্রদেশের একটি কোম্পানীর নাম সুস্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আতিকুর রহমান তার
চোরাকারবারী পার্টনার একই গ্রামের কাশেম মিয়া (৩২),খলিল মিয়া (৪২) ও তেরাপুর গ্রামের চেরাগ আলী (৪৫) এর নাম অকপটে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত মোঃ আতিকুর রহমানকে বৃহস্পতিবার রাতেই সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়। দোয়ারাবাজার থানার ওসি দেবদুলাল ধর ভারতীয় চাপাতাসহ চোরাকারবারী আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উক্ত চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশই তদন্ত করবে।

আরও পড়ুন
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মেলান্দহে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ ধরা পড়ল স্বামী-স্ত্রী
ডিমলায় একদিনে পাঁচ খাতে সরকারি সহায়তা বিতরণের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য