
সাঈদুর রহমান চৌধুরী,চট্টগ্রামঃ তিন বছর বয়সী শিশুকে অপহরণ করে টাকা আদায় করতে চেয়েছিল মোঃ শরীফ(৩৩) নামে এক ব্যক্তি। কক্সবাজারের রামু থানার ফকিরাবাজার থেকে জুনায়েদ(৩) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে চলে আসে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায়।কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার এই অসৎ উদ্দেশ্য পূরণ হলো না কোতোয়ালি থানার চৌকস অফিসার এএসআই জয়নাল আবেদীন ও তার সঙ্গীয় ফোর্সের বিচক্ষণতার কারণে।
রবিবার(৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে অপহরণ হওয়া শিশু জুনায়েদকে উদ্বার করে এএসআই জয়নাল আবেদীন ও তার টিম।সেইসাথে গ্রেফতার করা হয় অপহরণকারী মোঃ শরিফকে। জানা যায়,অপহরণ হওয়া শিশুর মা রিনা আক্তার ও তার স্বামী মোঃ জাহাঙ্গীর আসামী মোঃ শরীফের কাছ থেকে ১ বছর পূর্বে ১ লাখ টাকা ধার হিসেবে নেয়। করোনাকালীন সময়ে কাজ করতে না পারায় তারা শরীফ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে পারেনি।তাই আসামী শরীফ রবিবার(৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন ফকিরাবাজার এলাকার সুমনের ভাড়া বাসা থেকে শিশু জুনায়েদকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যাবে বলে নিয়ে আসে।
শিশু জুনায়েদের মা বাবা ঘটনার কথা জানতে পেরে আশেপাশে ছেলেকে খোঁজাখুঁজি করেও খুঁজে না পেয়ে আসামীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও আসামীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।পরবর্তীতে তারা জানতে পারে তাদের ছেলে এবং অপহরণকারী চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় আছে।রিনা আক্তার ও তার স্বামী কোতোয়ালি থানায় এসে তার ছেলে ও আসামীকে সনাক্ত করে।
এ বিষয়ে এএসআই মোঃ জয়নাল আবেদীন বলেন,আমি ও আমার সঙ্গীয় ফোর্স এএসআই আবুল মনছুর, এএসআই রুবেল বড়ুয়া ও কনস্টেবল আলী হোছাইন সহ রেলস্টেশনে চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে মোঃ শরীফ নামে শিশু অপহরণকারীকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে শিশুটিকে ১ লক্ষ টাকার জন্য অপহরন করেছে বলে জানায়।পরবর্তীতে আসামী এবং ভিকটিম জুনায়েদ (৩) কে থানায় নিয়ে আসি।
শিশুটির মা বাদী হয়ে আসামীর বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭ ধারায় একটি মামলা রুজু হয়।এবং আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

আরও পড়ুন
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি