হোম » প্রধান সংবাদ » সয়দাবাদে ধর্ষণের সালিশে জরিমানা, টাকা বিচারকদের পকেটে!

সয়দাবাদে ধর্ষণের সালিশে জরিমানা, টাকা বিচারকদের পকেটে!

 টাকার লোভ ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সয়দাবাদ ইউনিয়নের পঞ্চসোনা গ্রামের মিন্টু আকন্দ (৫২) এর বিরুদ্ধে। পরে গ্রাম্য সালিশে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হলেও তা পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। এমনকি মাতব্বরদের কাছে টাকা চাইতে গেলে নানান রকমের হুমকী দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
গত দুই মাস আগে সয়দাবাদ ইউনিয়নের পঞ্চসোনা গ্রামের ওই নারীর ঘরের ভেতর থেকে পূর্নবাসন গ্রামের জুরান আলীর ছেলে মিন্টু আকন্দ কে আটক করে এলাকাবাসী।

 

 

পরে রাতে পঞ্চসোনা গ্রামের রহমানের বাড়ীতে গ্রাম্য সালিশ করে মিন্টুর কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন বিচারকরা। জরিমানার টাকা ওই নারীকে না দিয়ে শালিসের বিচারকরা নিজেদের পকেটে ভরেছেন উলে­খ করে ধর্ষিতার নিজে জানান, আমি টাকা চাইতে গেলে নানান ধরণের কথা বলে মারপিট করার হুমকীদেয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই। ধর্ষিতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, সয়দাবাদ এলাকার পঞ্চসোনা গ্রামের মৃত ফরিদ সেখের মেয়ের সাথে মিন্টু আকন্দের অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

রাতে তাকে বাড়িতে আসতে বললে বিষয়টি এলাকার লোকজন টের পায়। পরে ওই নারীর ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন এলাকাবাসী। এলাকার মাতাব্বর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মন্ডল, জানিফ, মোহাম্মাদ মাষ্টার, ইকবাল, হামিদুল, হারেজ, আবু তালেব, রহমান গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং কানে ধরে উঠবস করান। ভুক্তভূগীর পরিবার বলছে, জরিমানা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ধর্ষিতার কাছে দেয়া হয়নি।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মন্ডল জানান, আমি বিচারে ছিলাম না, তবে বিচার করা হয়েছে দুই মাস আগে টাকা গুলো আগামীকাল বেলা ১১টার মধ্যে ঐ মহিলার ভাই হাকিমের কাছে পৌঁছে যাবে। দুই মাস ধরে মোহাম্মাদ মাষ্টার কাছে টাকাগুলো রক্ষিত আছে। এনিয়ে লেখালেখি করার দরকার নেই কাল বিষয়টি মিটে যাবে।সয়দাবাদে ধর্ষণের সালিশে জরিমানা, টাকা বিচারকদের পকেটে! যুগের কথা প্রতিবেদক : টাকার লোভ ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সয়দাবাদ ইউনিয়নের পঞ্চসোনা গ্রামের মিন্টু আকন্দ (৫২) এর বিরুদ্ধে। পরে গ্রাম্য সালিশে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হলেও তা পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। এমনকি মাতব্বরদের কাছে টাকা চাইতে গেলে নানান রকমের হুমকী দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

 

গত দুই মাস আগে সয়দাবাদ ইউনিয়নের পঞ্চসোনা গ্রামের ওই নারীর ঘরের ভেতর থেকে পূর্নবাসন গ্রামের জুরান আলীর ছেলে মিন্টু আকন্দ কে আটক করে এলাকাবাসী। পরে রাতে পঞ্চসোনা গ্রামের রহমানের বাড়ীতে গ্রাম্য সালিশ করে মিন্টুর কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন বিচারকরা। জরিমানার টাকা ওই নারীকে না দিয়ে শালিসের বিচারকরা নিজেদের পকেটে ভরেছেন উলে­খ করে ধর্ষিতার নিজে জানান, আমি টাকা চাইতে গেলে নানান ধরণের কথা বলে মারপিট করার হুমকীদেয়।

 

 

আমি এর সঠিক বিচার চাই। ধর্ষিতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, সয়দাবাদ এলাকার পঞ্চসোনা গ্রামের মৃত ফরিদ সেখের মেয়ের সাথে মিন্টু আকন্দের অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাতে তাকে বাড়িতে আসতে বললে বিষয়টি এলাকার লোকজন টের পায়। পরে ওই নারীর ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন এলাকাবাসী। এলাকার মাতাব্বর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মন্ডল, জানিফ, মোহাম্মাদ মাষ্টার, ইকবাল, হামিদুল, হারেজ, আবু তালেব, রহমান গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং কানে ধরে উঠবস করান।

 

ভুক্তভূগীর পরিবার বলছে, জরিমানা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ধর্ষিতার কাছে দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মন্ডল জানান, আমি বিচারে ছিলাম না, তবে বিচার করা হয়েছে দুই মাস আগে টাকা গুলো আগামীকাল বেলা ১১টার মধ্যে ঐ মহিলার ভাই হাকিমের কাছে পৌঁছে যাবে। দুই মাস ধরে মোহাম্মাদ মাষ্টার কাছে টাকাগুলো রক্ষিত আছে। এনিয়ে লেখালেখি করার দরকার নেই কাল বিষয়টি মিটে যাবে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!