
আওয়াজ অনলাইনঃ ঢাকা ১৮ আসনের জনপ্রিয় সাংসদ, সাবেক স্বরাষ্ট্র, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ্যাডঃ সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে শুন্য হওয়া আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন ফ্রম সংগ্রহ করেছেন ৫৬ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন সাহারা খাতুনের সুখ-দুঃখের সাথি তার ও সন্তান তুলো ভাগীনা ৯০’র গণআন্দোলনের রাজপথের লরাকো সৈনিক মজিবুর রহমান।
ইতো মধ্য তার সমর্থক আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিরা পোষ্টার, ব্যানার, ফ্যাস্টুনের মাধ্যমে জোড়ালোভাবে ঢাকা ১৮ আসনের অলি গলি ও রাজপথে নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের নিকটাত্বীয় ও জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রচারনায় এগিয়ে রয়েছেন সাহারা খাতুনের সাবেক এপিএস ভাগিনা মুজিবুর রহমান। ২০০৯ সালে সাহারা খাতুন দেশের প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হলে, মুজিবুর রহমানকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞাতা ও কর্ম দক্ষতা বিবেচনায় তার ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়।
আর মুজিবুর রহমানের কর্মী বান্দব পরামর্শ ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞ কর্মকান্ড সাহারা খাতুনকে বানিয়েছে ঢাকা ১৮ আসনের মাটি ও মানুষের নেত্রী। মুজিবুর রহমানের রাজরৈতিক অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি পরামর্শে সন্তুষ্ট হয়ে এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ৯ম, ১০ম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রতিবারই তাকে ব্যক্তিগত সচিবের দায়িত্ব প্রদান করেন। মুজিবুর রহমান ১৯৮১ সালে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন পুরানা বিমান বন্দরে শুভেচ্ছা মিটিংয়ে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাজনীতি জীবন শুরু করেন।
এর পর স্বৈরাচারি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তার সক্রিয় ভুমিকা ছিল অনেক। ৯০-৯১ সালে মহাখালি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। ৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক ঢাকা- ৫ আসন (গুলশান, ক্যান্টরমপন্ট, উত্তরা থানা) সংসদ নির্বাচনে সাহারা খাতুনের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। বেগম খালেদা জিয়া প্রধান মন্ত্রি হওয়ায় আসনটি ছেরে দিলে অনুষ্ঠিত হয় উপনির্বাচন। তখন একটি সংসর্ষে দক্ষিণখান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক হুমাযুন নিহত হন।
এ ঘটনার মামলায় মজিবুর রহমান ও ছাত্রলীগ নেতা ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শামীম আহম্মেদ শাহীন সহ আরো অনেকের নামে একটি মিথ্যা মামলা হয়। এই মামলায় মজিবুর রহমান গ্রেফতার হয়। তার উপর শুরু হয় নির্মম নির্যাতন, দীর্ঘ দিন কারাভোগ করেন তিনি। আর এড. সাহারা খাতুনের ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টায় আইনি লড়ায়ের মাধ্যমে তিনি মুক্তি লাব করেন মজিবুর রহমান। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে খালেদা জিয়ার প্রহশনের নির্বাচন আওয়ামীলীগ প্রত্যাখান ও প্রতিহত করার ঘোষনা দিলে মুজিবুর রহমান গুলশানের স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে মহাখালী ও এর আসপাশের এালাকায় হরতাল, অবরোধ, মিছিল, মিটিং ও প্রতিবাদি সমাবেশের অন্যতম ভুমিকায় ছিলেন তিনি।
জামাত-বিএনপি সরকারের বিরোধি রাজপথে আন্দোনে গুলশান থানার পুলিশ মজিবুর রহমানকে আবারও গ্রেফতার করে নেয় তিন দিনের রিমান্ডে। রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালায় তার উপর। আন্দোলন থেকে সড়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা না করায় গুলশান থানার পুলিশ তার হাতের আঙ্গুলের নখ পর্যন্ত তুলে ফেলেন। সেখানও এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ভাগিনা মজিবকে মুক্ত করে নিজ বাসায় রেখে চিকিৎসা করান। ১/১১ সময় আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁকে মুক্তির লক্ষে এ্যাডভোকোট সাহারা খাতুনের আইনি লড়াইয়ে সর্বক্ষন সাথে ছিলেন তাঁর একান্ত সচিব ও ভাগিনা মজিবুর রহমান।।

আরও পড়ুন
বগুড়া সদরের ১নং ফাঁপোর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সরিষাবাড়ীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ঘুষ বাণিজ্যসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ প্রতিষ্ঠান প্রধাণ হুরার বিরুদ্ধে, মানছেনা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনাও