
সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরিয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে যমুনা নদী। গ্রামের দুই পাশে নদী রক্ষা বাঁধের মাঝে দুই শতাধিক পরিবার বসবাস করে। গ্রামের রাস্তা ডুবে এখনে বেশ কিছু বাড়িঘরের ভেতরে পানি রয়েছে। কচুরিপানায় ভর্তি পানি মাড়িয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন সাধারন মানুষ। রাস্তার উপর মাছ ধরার জাল পেতে রাখায় পারাপারেও রয়েছে চরম ভোগান্তি। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে বেশ কিছু পরিবার।
পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার জানান, তাঁর বাড়িতে হাঁটুপানি দেখা দিয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এতে বসবাসে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় স্থানীয় জনসাধারণকে।
একই গ্রামের এক গৃহিণী বুলি খাতুন জানান, এই গ্রামে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং এই পানি আর বের হয় না। আমরা পানি মাড়িয়ে পারাপার হতে আমাদের পায়ে ক্ষত হয়ে যায়। শিশুরা খেলাধুলা করতে পারে না। ঘরের ভিতরে সাপের ভয় এবং রাতে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়িতে পানি ওঠায় রান্না করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কেএম নূরে আলম সিদ্দিকী বিডি নিউজ ফাস্ট কে জানান, আমার এই ওয়ার্ডের মানুষ কয়েক বছর ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভুগছে। গ্রামের দুই পাশে নদী রক্ষা বাঁধের জন্য জমে থাকা পানি বেড় হতে পারে না। তাই তিনি সরকারের কাছে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও একটি সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। সোমাবর সকালে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে মুঠফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান