
আতিকুর রহমান
তোমার তো আমারে কষ্ট দেওনের কথা আছিলো না, মৃনাক্ষী।
তুমিই তো কথা দিছিলা তুমি আমার ধারে কোন দুঃখ কষ্ট ঘেষতে দিবা না৷ তুমি আমার সব কষ্টেরদিন গুলারে আনন্দের দিন বানাইয়া দিবা।কইছিলা তুমি আর আমি মিল্লা আমগোর সব কষ্টগুলা দুরে ঠেইলা রাখুম৷।
অথচ দ্যাহো সব থেকে বড় কষ্টটা তুমিই আমারে দিলা, মৃনাক্ষী।
তোমার তো আমারে ছাইড়া যাওনের কথা আছিলো না, মৃনাক্ষী।
তুমিই তো কথা দিছিলা আমারে তুমি আগলাইয়া রাখবা গুছাইয়া রাখবা। জীবনের সকল ঝড় ঝাপটায় তুমি ছায়ার মতো পাশে থাকবা। সবাই আমারে ছাইড়া গেলেও তুমি আমারে ছাইড়া যাইবা না।
অথচ দেখো সবার আগে তুমিই আমারে ছাইড়া গেলা, মৃনাক্ষী।
তোমার লাইগা তো আমার চোখের পানি পরার কথা আছিলো না, মৃনাক্ষী।
তুমিই তো কইছিলা আমার চোখের পানি তুমি সহ্য করবার পারো না৷ আমার হাসিমুখখানই তোমার সব চাইতে প্রিয়। কইছিলা সারাজীবন তুমি আমার চোখের পানি মুইছা দিয়া জীবনডারে হাসি খুশি কইরা রাখবা।
অথচ দ্যাহো আমার চোখের পানির সব চাইতে বড় কারনডাই তুমি হইলা, মৃনাক্ষী।
আর সেইসব দিনে আমি তোমারে তেমন কোন কথাই দিতে পারি নাই। খালি একখান কথাই দিছিলাম। আমি তোমারে ভালোবাইসা যামু। তোমারে ভালোবাইসাই জীবনটা পার কইরা দিমু। তোমার লাইগা আমার ভালোবাসা আমার জীবন থাকতে শ্যাষ হইবো না। শ্যাষ হয়ও নাই।আমি আমার কথা রাখছি মৃনাক্ষী। আমি তোমারে এহনো ভালোবাসি। বিশ্বাস করো মৃনাক্ষী, আমি তোমারে এহনো ভালোবাসি।

আরও পড়ুন
বগুড়া সদরের ১নং ফাঁপোর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সরিষাবাড়ীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ঘুষ বাণিজ্যসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ প্রতিষ্ঠান প্রধাণ হুরার বিরুদ্ধে, মানছেনা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনাও