হোম » আন্তর্জাতিক » ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোখা’ যেভাবে হলো

ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোখা’ যেভাবে হলো

আওয়াজ অনলাইন: জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটেরলজিক্যাল অর্গানাইজেশনের তথ্য মতে, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সামুদ্রিক ঝড়ের ক্ষেত্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটারের বেশি হলে একে সাইক্লোন বলা হবে। বাতাসের গতি এর কম হলে সেটাকে বলা হয় নিম্নচাপ। 

সেই হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে সাইক্লোন সৃষ্টি হয়নি। এটি এখনো গভীর নিম্নচাপ অবস্থায় আছে। শক্তি সঞ্চয় করে এটি সাইক্লোনে পরিণত হবে। তখনই এর নাম হবে ‘মোখা’।

ঘূর্ণিঝড়টির নাম কেন ‘মোখা’, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন আছে। এই নামটি দিয়েছে ইয়েমেন। মোখা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে একটি বন্দর শহর। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটাই ছিল ইয়েমেনের প্রধান বন্দর শহর। কফি বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত ছিল এই বন্দর।

উত্তর ভারত মহাসাগর তথা বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করে এই অঞ্চলের ১৩টি দেশ। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটেরলজিক্যাল অর্গানাইজেশন প্যানেল সদস্য দেশগুলো ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে এই নামগুলো গ্রহণ করেছে।

দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন। এই দেশগুলোর নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী তৈরি তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ হয়।

তালিকা অনুযায়ী পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘বিপর্যয়’। এই নামটি বাংলাদেশের দেওয়া। এর পরবর্তী পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে যথাক্রমে তেজ (ভারত), হামুন (ইরান), মিধিলি (মালদ্বীপ), মিগজাউম (মিয়ানমার), রিমাল (ওমান)। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রচলন হয় ২০০০ সালে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!