হোম » আন্তর্জাতিক » ভারতের মনিপুরে এখনও আতঙ্কে আছেন বাসিন্দারা

ভারতের মনিপুরে এখনও আতঙ্কে আছেন বাসিন্দারা

আওয়াজ অনলাইন: ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্য মনিপুরে নতুন করে সহিংসতার কোনো ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্কে আছেন বাসিন্দারা। সরকারি সূত্র বলছে, সহিংসতায় অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

এদিকে, সব দিক বিবেচনা করেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতি হিসেবে সংরক্ষণ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিগত সংঘর্ষে পুড়েছে মনিপুর। ঝরেছে অসংখ্য মানুষের প্রাণ। টানা কয়েকদিনের কারফিউর পর সোমবার কয়েক ঘণ্টার জন্য শিথিল হয় বিধি।

রোববার থেকে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। মাঝেমধ্যে কারফিউ শিথিল করা হলেও সাধারণভাবে সব উপদ্রুত অঞ্চলে কারফিউ রয়েছে।

রাজ্যের প্রধান প্রধান শহরগুলো তো বটেই, পার্বত্য অঞ্চলের গ্রামেগঞ্জেও টহল দিচ্ছে সেনা, আধা সামরিক বাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ। তবে, এখনো আতঙ্কে আছে সাধারণ মানুষ।

সহিংসতা শুরুর ছয়দিন পর প্রথম এ ঘটনায় মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার সব পক্ষকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন তিনি।

তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়েরই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার কারণ নেই। সব দিক বিবেচনা করেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতি হিসেবে সংরক্ষণ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই সম্প্রদায়ের দাবি, তাদের মনিপুরের অন্যান্য উপজাতিদের মতোই সংরক্ষণ দিতে হবে। কারণ হিসেবে তারা বলছে, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সংরক্ষণের সুবিধা না থাকায় তারা পিছিয়ে পড়ছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে উপজাতি সমাজ।

গত ১৪ এপ্রিল মনিপুরের হাইকোর্ট এক নির্দেশে এই দাবি খতিয়ে দেখতে মনিপুর সরকারকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের পরই এপ্রিলে মনিপুরজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশের প্রতিবাদে গত সপ্তাহে উপজাতি সম্প্রদায় একটি মিছিল বের করে। আর এই মিছিলটিকে কেন্দ্র করেই সহিংসতার শুরু।

মণিপুর মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। রীতমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!