
এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৌর শহরের কমলপুর গাছতলা ঘাট এলাকায় নার্সারী রোডের গফুর মিয়ার বাড়ীতে ছোট ভাই বড় বোন কে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
নিহতের নাম আমেনা বেগম (৪০)। নিহত আমেনা বেগম তিন সন্তানের জননী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় স্বামী নাঈম মিয়া সৌদি৷ প্রবাসী। গত রমজান মাসে নাইম মিয়া সৌদি আরব গিয়েছে। অভিযুক্ত ছোট ভাইয়ের নাম মো. কালুমিয়া। কালু (৩৫)মিয়া পেশায় একজন ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী।
গতকাল১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকাল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে শহরের ভৈরবপুর ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আমেনা বেগম বাবার বাড়ির সম্পত্তি পাওয়ার পর একই বাড়িতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন।
ঘটনার পরক্ষণেই আহত আমেনা বেগমকে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে আমেনা বেগম মৃত্যু বরণ করে। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আমেনা বেগমের বড় ছেলে আবির ও তার ননদ৷ খুশি বেগম বলেন খুনের অভিযুক্ত কালু মিয়া নেশা গ্রস্ত হয়ে টাকার জন্য প্রথমের এসে আমেনা বেগমের সাথে ঝগড়া শুরু করে।পরে তারা ঝগড়া নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গেলে তাদের চোখে মুখে মরিচ ছুরে মারে। পরে এক পর্যায়ে কালু কোমড় থেকে ছুড়ি বের করে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে।এক পর্যায়ে আমেনা বেগম মাটিতে লুটে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোহাগ মিয়া বলেন কালু নেশার টাকার জন্য বড় বোনের সাথে প্রথমে ঝগড়া করে। পরে এক পর্যায়ে নেশা গ্রস্ত হয়ে বড় বোনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে বলে জেনেছেন বলে জানান তিনি। নির্মম এই হত্যা কান্ডের জন্য আইন প্রশাসনের নিকট দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন আমেনা বেগমের পরিবারবর্গ।
উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেননবযোগদানকৃত ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ভৈরবপুর গাছতলাঘাট এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় বোনকে তার ছোট ভাই ছুরি দিয়ে আঘাত করে। আহত অবস্থায় ঢাকা নেয়ার পথে সে মারা যায়।
এসময় তিনি আরো বলেন, আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এবিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ