হোম » অপরাধ-দুর্নীতি » পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলার ২জন আসামি আটক করে চুয়াডাংগা থানার পুলিশ

পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলার ২জন আসামি আটক করে চুয়াডাংগা থানার পুলিশ

তারিকুর রহমানঃ চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের তড়িৎ পদক্ষেপে পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলার ২জন আসামি আটক হয়েছে। আটককৃত আসামিদ্বয় হলো চুয়াডাঙ্গা সদরের গাড়াবাড়িয়া ছাগলাপাড়ার মৃত ঠাণ্ডু মণ্ডলের ছেলে মোঃ হাসান আলী (২৬) এবং আলোকদিয়া মনিরামপুরের ভাদু মণ্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম রফি (৫০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৩রা আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনেটের সময় গাড়াবাড়িয়া ছাগলাপাড়ার এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ বাড়ির পাশের একটি রাস্তার উপর একই গ্রামের মৃত ঠাণ্ডু মণ্ডলের ছেলে মোঃ হাসান আলী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী মোঃ রকি হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার (৫ই আগস্ট) বিকালে অভিযুক্ত কথিত ধর্ষক মোঃ হাসান আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

অপরদিকে বুধবার (৫ই আগস্ট) রাত আনুমানিক ২টা ৩৫ মিনিটের সময় আলোকদিয়া ইউনিয়নের মনিরামপুর মল্লিকপাড়া গ্রামের ৮মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ নিজ স্বামীর পাশে শুয়ে থাকা অবস্থায় তার স্বামীর এক বন্ধুর পিতার দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন।
ভিকটিম তাকে প্রথমে তাকে নিজের স্বামী মনে করলেও পরে তার ভুল ভাঙে। ধস্তাধস্তি করে ধর্ষক রফিকুলকে ধরে ফেলে ভিকটিমের স্বামী। ভিকটিমের ঘরের জানালা দিয়ে রফিকুল প্রবেশ করে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সহায়তায় পালিয়ে যায় ধর্ষক রফিকুল। এ ঘটনার জন্য ভিকটিমের শ্বশুর সেলিম রেজা বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে ধর্ষক রফিকুল ইসলামকে আটক করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
উল্লিখিত পৃথক দুটি ধর্ষণের ঘটনার প্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পৃথক দুটি মামলা রুজু হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!