হোম » সারাদেশ » বাড়ছে শীতের তীব্রতা, দেখা নেই শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ

বাড়ছে শীতের তীব্রতা, দেখা নেই শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ

মিজানুর রহমান: চলতি শীত মৌসুমে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির পর শৈত্যপ্রবাহ এবং অব্যাহত ঘন কুয়াশায় দিন দিন শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রচন্ড শীতে কাতরাচ্ছে বস্ত্রহীন শীতার্ত মানুষ। আজও বিতরণ হয়নি সরকারী কিংবা বেসরকারী উদ্যোগে শীতবস্ত্র। খরকুঠার আগুনে শীতার্থদের শীত নিবারনের একমাত্র সম্বল।
রবিবার সরজমিনে উপজেলার সিংগীমারী গ্রামে গেলে, আব্দুস সোবাহান (৬৫) আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, শীতের কারনে হামা যে অন্যর বাড়ীতে কাজ কামাই করতে পাই না। হামার যে গরম কাপর কেনার টাকা নাই এ খবর কায় নেয়, সবায় খালি ভোটের কথা কয়। একই এলাকার কামাল হোসেন (৬৩) বলেন, গত কয়েক দিন আগে দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে সূর্য দেখা যায়নি। এরপর শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ আর ঘনকুয়াশা।
একদিকে হিমালয়ের হিমেল হাওয়া আর শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত ঘন কুয়াশায় কনকনে প্রচন্ড শীত নামছে। এখন পর্যন্ত সরকারী বা বেসরকারী কোন সংস্থা শীত বস্ত্র বিতরণ করেন নাই। দক্ষিন সির্ন্দুনা গ্রামের বৃদ্ধ আইয়ুব আলী সহ অনেকে জানান, তিস্তা নদীর ধারে আমরা বসবাস করি, শীতের কারণে তিস্তার চর এলাকায় ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করির পাই না। অন্যার ভুট্টা ক্ষেতে কাজ না করলে সংসার চলেনা। শীতের গরম কাপর কেনার টাকা নাই হামার, তাই হামা আগুন জ্বালাইয়া গরম হই। তাছারা যে হামার কোন উপায় নাই। সবায় কয় হামাক ভোট দিলে এটা উন্নয়ন করমো ওটা উন্নয়ন করমো কিন্তু গরীবের খবর কাও নেয় না।  এ প্রচন্ড শীতে যেমন বস্ত্রহীন শীতার্থ মানুষের আহাযারী বাড়ছে। তেমনি বিভিন্ন শ্রমিক পেশার শ্রমিকদের শ্রম বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাইদুল শাহ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, চলতি শীত মৌসুমে প্রথমবারের মত কিছু কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যাহা জাতীয় নির্বাচনের জন্য বিতরনণ এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক বন্ঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে নির্বাচনের পর বিতরণ করা হবে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!