হোম » সারাদেশ » জলাবদ্ধতায় রাস্তার বেহাল দশা, কাঁদা পানিতে জনদুর্ভোগ চরমে।

জলাবদ্ধতায় রাস্তার বেহাল দশা, কাঁদা পানিতে জনদুর্ভোগ চরমে।

মোঃ মনির হোসেন সোহেল: জলাবদ্ধতায় রাস্তার বেহাল দশা, কাঁদা পানিতে জনদুর্ভোগ চরমে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্কুল শিক্ষার্থীদের।  নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ২নং রামনারায়নপুর ইউনিয়নের পূর্ব সীমান্তঘেঁষা গোমাতলীর সুরেরবাড়ি -খালপাড় (প্রায় ৯শ মিটারের) সড়কটি দীর্ঘ দিন সংস্কারহীন থাকায় বিলীন হওয়ার পথে এবং এটি এখন চরম জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে।
 মসজিদের মুসল্লিগণ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটা হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের রাস্তা এটাই। তাছাড়া বিভিন্ন যানবাহন রিকশা, ভ্যানগাড়ি ও আটোরিকশা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁদা পানিতে বছরের পর বছর পার হলেও সড়কটি সংশ্লিষ্ট বিভাগের বা জনপ্রতিনিধিদের চোখে পড়েনি কখনো। যাতে করে এটি এখন কোথাও ভেঙেচুরে গর্ত, আবার কোথাও পাশের খালে বিলীন হয়ে চরম জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় জুয়েল খালেদ, এবং ওমর ফারুক বলেন, এই রাস্তাটির জন্যে অনেক পথ ঘুরে তাদের গন্তব্যে যেতে হয়। নানা স্থানে ধরনা দিয়েও লাভ হয়নি, অদৃশ্য কারণে এটি চরম অবহেলার শিকার।
স্থানীয় আজাদ মিজি জানান,আমরা এ রাস্তা নিয়ে অনেকের কাছেই ধরনা দিয়েও কাজ করাতে পারছি না।বছরের ৬/৭ মাস আমাদের এ কাঁদা পানি দিয়ে চলাচল করতে হয় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে বিপাকে পড়তে হয়।মৃত লাশ দাফন করতে কবরস্থানে রাস্তা দিয়ে নিতে পারি না।এ রাস্তা পাকার বিষয় গত নির্বাচনে এড.ইয়াছিন করিম ভাই এমপিকে দিয়ে পাকা করানোর প্রতিশ্রুতি দিলে আমরা অদৃশ্য কারনে ৫ বছর পার হলেও কোন সুফল পাই না।আমরা এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এই বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইয়াছিন করিম জানান, রাস্তাটির ব্যাপারে সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিমের সঙ্গে কথা হয়েছে। এমপিকে এ রাস্তা ও পাশের ওয়ার্ডের একটা বাড়ির রাস্তা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!