হোম » সারাদেশ » আশুলিয়া সার্কেল ভুমি অফিসে জনদুর্ভোগের অভিযোগ

আশুলিয়া সার্কেল ভুমি অফিসে জনদুর্ভোগের অভিযোগ

নজরুল ইসলাম মানিক: আশুলিয়া  সার্কেল সহকারী কমিশনার ( ভুমি) অফিসে জনসাধারণ জমি জমার ঝামেলা, নামজারী ও মিসকেস, সংশোধন ও বিয়োজন নিষ্পত্তির জন্য গত দুদিন যাবত দুর্ভোগ  পোহাচ্ছেন বলে অভিযোগ  পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত অপেক্ষার প্রায় সাড়ে  ছয় ঘন্টা হয়ে গেলো এখনো নামজারীর সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারি নাই।
ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রথমত প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাব, সার্ভার সমস্যা।  কাজের অগ্রগতির সবচেয়ে  বড় সমস্যা হয়েছে যে সকল ওম্মেদার হিসেবে দায়িত্বরত কম্পিউটার অপারেটর  ছিলো অহেতুক  বের করে দেওয়া।
গতদিন গুলোতে এই দুর্ভোগ  ছিলোনা তবে দুদিন যাবত এই দুর্ভোগ  সৃষ্টি  হয়েছে। দুদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন ভুমি অফিসের সরকারি লোক বলাবলি করছে নতুন ডিসির নির্দেশে ওম্মেদার হিসেবে দায়িত্বরত কম্পিউটার অপারেটর  যারা ছিলো তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে।
তারা আরোও বলেন  আশুলিয়া  শিল্পাঞ্চল  জনবহুল এলাকায় খন্ড খন্ড জমির মালিকানা বেশি। তাই এই ভুমি দপ্তরের আওতাধীন  আশুলিয়া সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসে  সরকারি কর্মচারী  বৃদ্ধির মাধ্যমে  দ্রুতগতিতে জমি জমার ঝামেলা, নামজারী ও মিসকেস, সংশোধন ও বিয়োজন নিষ্পত্তি চান কিন্তু দীর্ঘ  অপেক্ষায় থাকতে পারবেনা। জনসাধারণের সময়কে মুল্যায়ণ না করলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটবে এবং জমি জমার ঝামেলা, নামজারী ও মিসকেস, সংশোধন ও বিয়োজন নিষ্পত্তি হলে যে রাজস্ব আদায় হবে তা ধীরগতির প্রকৌট ঘটবে।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,  ভুমি অফিসের কর্মকর্তাদের টেবিলের সামনে ১০/১২ জন ভুক্তভোগীরা বসে দাঁড়িয়ে সেবা নিচ্ছেন কিন্তু আরো ২০/২৫ জন অপেক্ষারত।  যেখানে একজনকে সমস্যার সমাধান দিতে ১৫/২০ মিনিট সময় লেগে যায়। এসকল সাধারন সেবা গুলো দেয়া কর্মকর্তাদের উপর ব্যাপক চাপ পড়তে দেখা গেছে। অনুমান করা যায় এই কাজ গুলো সাধারনত সরকারি লোকবল ব্যাতিত বহিরাগত শিক্ষিত  ৬/৭ জন কম্পিউটার অপারেটর  মাধ্যমে সেবা নিষ্পত্তি করা হইত। ফলে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো সঠিক সময়ে নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হতো। গত দুদিন যাবত উম্মেদারদের বের করে দেওয়ার কারনে জনসাধারনের  জরুরী কাজ গুলো সময় মতো হাতে না পাওয়ায় জনদুর্ভোগে পড়েছে।
জনদুর্ভোগের ব্যাপারে জানতে আশুলিয়া  সার্কেল  সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও  নির্বাহী  ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন জানান, ডিসি স্যারের নির্দেশে  বিহরাগত ওম্মেদার কেহই থাকবেনা। সরকারি লোকবল জনসাধারনদের সেবা দিচ্ছে এবং দিবে। তবে পুর্বের মতো তড়িৎগতি নাহলেও সঠিক সময়ে সেবা পাবে জনসাধারণ।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!