হোম » সারাদেশ » তল্লাশি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ

তল্লাশি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্বপন ফরাজী নামের এক অটো চালককে ইয়াবা পরিবহন করার সন্দেহে পুলিশ তল্লাশি করায় উপস্থিত সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় উপস্থিত পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে জানা যায়,ইয়াবা সরবরাহ করে ব্যাটারিচালিত অটোতে করে নিয়ে যাচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার লঞ্চঘাট রোড এলাকায় অটো চালক স্বপন ফরাজীকে তল্লাশি করে মির্জাগঞ্জ থানার এস আই জালাল আহমেদ। এ সময়ে স্থানীয় সাংবাদিক মো.মনিরুল ইসলাম,তারিকুল ইসলাম সুজন ও পল্লব ওখানে উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশি করে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলে উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন অটো চালক স্বপন ফরাজী।
খবর পেয়ে দুপুর ১ টার দিকে সাংবাদিক মেহেদী হাসান মুবিন ও আলামিন প্রিন্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এর কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যে যার মত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার দুইদিন অতিবাহিত হওয়ার পরে রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ করেন অটোচালক স্বপন ফরাজী। ঘটনার বিষয় মির্জাগঞ্জ থানার এস আই জালাল আহমেদ জানান,’আমি চলতি ডিউটিরত অবস্থায় ছিলাম। থানার ডিউটি অফিসারের মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অটো চালককে তল্লাশি করি। অটোতে মাদক জাতিও কিছু না পেলে সে ( অটো চালক) আমার ও উপস্থিত সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়।
এসময় অটো চালকের স্ত্রী মুক্তা আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন,পারিবারিকভাবে যাদের সাথে আমাদের দ্বন্দ্ব রয়েছে তারা আমাদের ফাঁসাতে এধরণের কাজ রাখতে পারে। আপনারা আমার ভাই। আমার স্বামীকে যেভাবে হোক ছেড়ে দেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঘটনাটি আমি ওসি স্যারকে জানাই,ওসি স্যার আমাকে চলে আসতে বলেন। তখন যে যার মত করে চলে যায়।’ এ ব্যাপারে সাংবাদিক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘অটো চালককে পুলিশ তল্লাশি করে অবৈধ কিছু না পেলে অটো চালক উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও আমাদেরকে বলেন,আমার মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে,এবং আমাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় সে।
ঘটনার দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পরে আমাদের প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ অটোচালককে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য প্ররোচনা দেন। ওই গ্রুপটি একটি দালাল চক্র। পুলিশের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে সুবিধা নিতে না পেরে বিভিন্ন সময়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টার ধারাবাহিকতার অংশ এটি।’এ ব্যাপারে সাংবাদিক মুবিন জানান,’আমরা সাংবাদিকতা পেশায় এসে সৎ ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করায়,স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি গ্রুপের অনৈতিক অর্থ আয়ে ভাটাপাড়ায় আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হেও প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ওই অটো চালককে ফুসলিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করান তারা’। এব্যাপারে মির্জাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মো.আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তল্লাশি করে মাদক জাতিও কিছু না পেয়ে ওখান থেকে পুলিশ ফিরে আসে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!