হোম » সারাদেশ » ভৈরবে সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধরেরঘটনায় করে আহত করার ঘটনায় আদালতে ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ।।

ভৈরবে সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধরেরঘটনায় করে আহত করার ঘটনায় আদালতে ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ।।

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সাবেক চেয়ারম্যান ও  বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হকের ছেলে তানভীরুল হক রাফি (১৮) কে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান  শাফায়েত উল্লাহ’র  ছেলেরাসহ  বেধড়ক মারধর করেগুরুতর আহত করার ঘটনায় আদালতে ২২ জনকে আসামী করে  একটি মামলা করা হয়। আজ ৩রা আগস্ট  বুধবার কিশোরগঞ্জের আমলী আদালত-২ এ মামলাটি দায়ের করেন আহত রাফির বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হক। আদালতের বিচারক অভিযোগটি শুনানীর  পর মামলাটি কিশোরগঞ্জের  পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলো ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউপি চেয়ারম্যান শাফায়েত উল্লাহ’র চার ছেলে নাহিদ (২০) জাহিদ (১৮), রাহিম (২৫), মিরান (২২) সহ মোট ২২ জন। অভিযোগে বলা হয় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে  গত রোববার বাদীর প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যানের ছেলেরাসহ একদল সন্ত্রাসী তার ছেলেকে হত্যার উদ্যেশে মারধোর করে গুরুতর আহত করে। আহত রাফি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। থানার ওসি অভিযোগ গ্রহন করে মামলাটি না নেয়ায় আদালতে মামলা করেন তিনি।
ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের সাবেক দুই মেয়াদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হক। অপরদিকে একই ইউনিয়নে লাগাতার দুই মেয়াদের চেয়ারম্যান মোঃ শাফায়েত উল্লাহ। তারা দুই পক্ষের মধ্য দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত দ্বন্দ্ব  রয়েছে। এলাকায় দুই পক্ষের মধ্য একাধিক খুনের ঘটনাও ঘটেছে। এই শত্রুতার জের ধরেই ঘটনাটি ঘটে। গত রোববার তোফাজ্জল হক চেয়ারম্যানের ছেলে তার এলাকা সাদেকপুর গ্রামে একটি স্কুলে জাতীয় আইডি কার্ডের ছবি তুলে শহরের বাসায় অটোরিক্সাতে ফেরার পথে চেয়ারম্যান সাফায়েতের ছেলেরাসহ কতিপয় আরো কয়েকজন তার উপর আক্রমন চালালে রাফিসহ তিনজন  গুরুতর আহত হয়। মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হকজানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিনাকারনে তারা আমার ছেলেকে মেরে আহত করে। ঘটনায় থানায় মামলা দিতে গেলে অফিসার ইনচার্জ ( ওসি)  আমার মামলা নিবেনা বলে জানিয়ে দেন। বিষয়টি সামাজিক ভাবে মীমাংসা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সামাজিক ভাবে এর কোন সরাহা দিতে পারেনি কেউ। তাই  বাধ্য হয়ে ঘটনার বিচার পেতে আমি আদালতে মামলা করেছি।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!