হোম » সারাদেশ » ভৈরবে নার্স রিমা নিহতের ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ

ভৈরবে নার্স রিমা নিহতের ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  ভৈরবে ইউনাইটেড  হাসপাতালের নার্স রিমা প্রমানিক (২০) নিহতের ঘটনার ময়না তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে। রিপোর্টে রিমা আত্মহত্যা করেছে বলে প্রকাশ পায়।  ময়না তদন্তের রিপোর্টে ডাক্তাররা এমনটাই উল্লেখ করেছেন।গত ২৯ জুলাই শুক্রবার ভৈরব থানা পুলিশ ময়না তদন্তের রিপোর্টটি হাতে পাওয়ার পর  বিষয়টি  নিশ্চিত  করেন।  গত ১১ জুলাই সকালে ওই হাসপাতালের কেবিনে রিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ১০ জুলাই ভোর রাত ৪ টায় রিমা আত্মহত্যা করেছিল। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ পাঠায়। ১৮ দিন পর আজ ময়না তদন্তের রিপোর্টটি পুলিশের হাতে আসে।
 নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের  পিরিজকান্দি গ্রামের সেন্টু প্রমাণিকের মেয়ে রিমা। রিমার ঘটনায় প্রথমে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তারপর  দুদিন পরে তার বাবা বাদী হয়ে হাসপাতালের এমডি হানিফুর রহমান সুমন ও নার্স লিজাকে আসামী করে থানায়  একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তারপর পুলিশ এমডি সুমনকে গ্রেফতার করে।  রিমার বাবার অভিযোগ ছিল তার মেয়েকে হাসপাতালের কক্ষে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে । ঘটনার পর থেকে লিজা পলাতক থাকলেও এমডি সুমন কিশোরগঞ্জ কারাগারে  আছে। এরই মধ্য পুলিশ সুমনকে তিনদিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান, রিমা আত্মহত্যা করেছে বলে মামলাটি খারিজ হয়ে যাবে এমন নয়। সে এত অল্প বয়সে কেন, কার কারনে বা কার প্ররোচনায় আত্মহত্যা করল বিষয়টি তদন্ত করা হবে। বিশেষ করে হাসপাতালের এমডি, নার্স ইনচার্জ লিজা আত্মহত্যার প্ররোচনায় জড়িত ছিল কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে পুলিশ। এদিকে ময়না তদন্তের রিপোর্টের বিষয়টি জেনে রিমার পরিবার হতাশ হয়েছে। রিমার বাবার দাবি, আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। রিপোর্ট কি এসেছে, কেন এমনটি এসেছে জানিনা। তিনি যুগান্তরকে বলেন আমার মেয়েকে হাসপাতালের এমডি সুমন মেরে ফেলেছে। ঘটনার দিন রাত তিনটায় আমার মেয়ে এমডি সুমনের সাথে মোবাইলে কথা বলে। তার এক ঘন্টা পরে রিমা কেন আত্মহত্যা করবে, বিষয়টি রহস্যজনক বলে দাবি করেন তিনি।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!