হোম » সারাদেশ » ভৈরবে পাড়ায় পাড়ায় মাদক ছাত্র ও যুব সমাজ ধংশের মুখে 

ভৈরবে পাড়ায় পাড়ায় মাদক ছাত্র ও যুব সমাজ ধংশের মুখে 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পাড়ায় পাড়ায় চলছে মাদক বিক্রয়। ভৈরবে ফলে ধ্বংসের দিকে অগ্রসর হচ্ছে ভৈরবের ছাত্র ও যুব সমাজ। পৌর এলাকার প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় মাদকের ছড়াছড়ি ভৈরব বাজারের অলিগলি গুলো এখন মাদক কেন্দ্র রুপে পরিনত হচ্ছে। ভৈরবে এমন কোন গ্রাম বা পাড়া নেই যেখানে মাদকের কালো থাবা পড়েনি। একই চিত্র পরিলক্ষিত হয় ভৈরবের ৭ টি ইউনিয়নেও। সীমান্তএলাকা গুলো থেকে মাদক খুব সহজে বহন করে নিয়ে আসতে পারে ভৈরবে। মূলত সড়ক রেল ও নদী পথের জংশন বলা চলে ভৈরবকে। এজন্যই ভৈরব কে বলা যায় মাদকের ট্রানজিট পয়েন্ট। এই সুবাদে সারাদেশে মাদক পাচার কালে ভৈরব  ট্রানজিন পয়েন্ট হওয়ায় ভৈরে মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। তাছাড়া নৌপথ ও সড়ক পথ গুলোতে ঢিলে ঢালা চেকপোষ্ট থাকায় পাচারের সুযোগ পায় মাদক ব্যবসায়ীরা অবাধে।
এতে করে ভৈরবে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে পাচারকারী, সেবনকারী ও ডিলারের সংখ্যা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মাদক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে সে প্রতি উত্তরে বলে, শুধু আমাকে একা বলছেন কেন? আমার নিকট না পেলে পাশের পাড়ার বিক্রেতার নিকট থেকে কিনে আনবে। এমন কোন পাড়া নেই যেখানে মাদক বিক্রি হয় না। ভৈরবে এখন পাড়ায় পাড়ায় মাদক বিক্রয় চলে “।
এমনই এক সম্মতি সূচক অভিযোগ পাওয়া যায় ঐ মাদক কারবাীর নিকট থেকে। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এখন মাদকের রাজত্ব। সড়ক, রেল ও নৌপথে আসছে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল। ফলে হাত বাড়ালেই মিলছে ইত্যাদি  বিভিন্ন রকমের মাদকদ্রব্য। ফলে ধ্বংসের পথে যুবসমাজ ও উঠতি বয়সের তরুণরা। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় মাদক বেচা-কেনা। পাড়া-মহল্লায় গড়ে উঠেছে মাদকের বাজার। এই বিষয়ে ভৈরবের সচেতন নাগরিকগণ বলেন – আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে শঙ্কায় আছি। ভৈরবে যেভাবে মাদকের ছড়াছড়ি চলছে কখন যে অসৎ সঙ্গে গিয়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে নাকি ইতি মধ্যে জড়িয়ে গেছে মাদকের সাথে, কর্মে থেকেও সন্তানদের নিয়ে সেই ভয় কাজ করে মনে।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে মাদক সম্রাট। এই সব সম্রাটরা এলাকার প্রভাবশালী মহল ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় রাজত্ব করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালেও আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আবার তারা মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন। পুলিশের মতে, বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হচ্ছে। ভৈরব থানায় সব চেয়ে বেশি মাদকের মামলা হয়েছে।
মাদক ব্যবসা বন্ধে পুলিশের চেষ্টার কমতি নেই বলেও জানায় পুলিশ। এ ব্যাপারে ভৈরব থানার ওসি মো: গোলাম মস্তুফা বলেন মাদক বিক্রয় আমাদের পুলিশের ঘোষনা অনুসারে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করা হয়েছে। আমরা সেই অনুপাতেই মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করব। তাছাড়া আমি ভৈরবে যোগদান করেছি মাত্র দুদিন হয়েছে। ভৈরবের সব কিছু সম্পর্কে এখনো অবগত হয়নি।তবে মাদকের বিষয়ে আমার নিকট কোন ছাড় নেই।  ভৈরবকেও মাদক জিরো টলারেন্সেে নিয়ে আসতে আমি কাজ করে যাব।
। এমন কোন গ্রাম বা পাড়া নেই যেখানে মাদকের কালো থাবা পড়েনি। একই চিত্র পরিলক্ষিত হয় ভৈরবের ৭ টি ইউনিয়নে। সীমান্ত গুলো থেকেমাদক খুব সহজে বহন করা যায় ভৈরবে। মূলত সড়ক রেল ও নদী পথের জংশন বলা চলে ভৈরবকে। এজন্যই ভৈরব কে বলা যায় মাদকের ট্রানজিট পয়েন্ট। এই সুবাদে সারাদেশে মাদক পাচার কালে ভৈরব  ট্রানজিন পয়েন্ট হওয়ায় ভৈরব মাকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। তাছাড়া রাস্তা গুলোতে ঢিলে ঢালা চেকপোষ্ট থাকায় পাচারের সুযোগ পায় মাকক ব্যবসায়ীরা অবাধে।
 শুধু আমাকে একা বলছেন কেন? আমার নিকট না পেলে পাশের পাড়ার বিক্রেতার নিকট থেকে কিনে আনবে। এমন কোন পাড়া নেই যেখানে মাদক বিক্রি হয় না। ভৈরবে এখন পাড়ায় পাড়ায় মাদক বিক্রয় চলে “। এমনই এক সম্মতি সূচক অভিযোগ পাওয়া যায় জনৈক এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এখন মাদকের রাজত্ব। সড়ক, রেল ও নৌপথে আসছে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল। ফলে হাত বাড়ালেই মেলে বিভিন্ন রকমের মাদকদ্রব্য। ফলে ধ্বংসের পথে যুবসমাজ, উঠতি বয়সের তরুণরা। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় মাদক বেচা-কেনা।
পাড়া-মহল্লায় গড়ে উঠেছে মাদকের বাজার। এই বিষয়ে ভৈরবের সচেতন নাগরিকগণ বলেন – আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে শঙ্কায় আছি। ভৈরবে যেভাবে মাদকের ছড়াছড়ি চলছে কখন যে অসৎ সঙ্গে গিয়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে নাকি ইতি মধ্যে জড়িয়ে গেছে মাদকের সাথে, কর্মে থেকেও সন্তানদের নিয়ে সেই ভয় কাজ করে মনে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে মাদক সম্রাট। এই সব সম্রাটরা এলাকার প্রভাবশালী মহল ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় রাজত্ব করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালেও আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আবার তারা মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন। পুলিশের মতে, বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হচ্ছে। ভৈরব থানায় সব চেয়ে বেশি মাদকের মামলা হয়েছে। মাদক ব্যবসা বন্ধে পুলিশের চেষ্টার কমতি নেই বলেও জানায় পুলিশ।
এ ব্যাপারে ভৈরব থানার ওসি মো: গোলাম মোস্তুফা বলেন মাদক বিক্রয় আমাদের পুলিশের ঘোষনা অনুসারে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করা হয়েছে। আমরা সেই অনুপাতেই মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করব। তাছাড়া আমি ভৈরবে যোগদান করেছি মাত্র দুদিন হয়েছে। ভৈরবের সব কিছু সম্পর্কে এখনো অবগত হয়নি।তবে মাদকের বিষয়ে আমার নিকট কোন ছাড় নেই।  ভৈরবকেও মাদক জিরো টলারেন্সেে নিয়ে আসতে আমি কাজ করে যাব।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!