
শাহজাহান সিরাজ, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় গো-খাদ্যের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। পরপর বেশ কয়েক দফায় বন্যার আঘাতে জর্জরিত গাইবান্ধা জেলার নিম্নঞ্চলের ফসলী জমি তলিয়ে যাওয়ায় গরু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে খামারীসহ সাধারণ কৃষকগণ। আমন ধান ঘরে আসতে এখনো দু’ এক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আল ইমরান। তবে যেহেতু গাইবান্ধার আশপাশের জেলাগুলোতে আগাম আম ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে সেহেতু খুব দ্রত খড়ের দামও কমে যাবে বলে জানান এই কৃষি অফিসার। এবারের বন্যায় গাইবান্ধার নিম্ন ঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় গরুর প্রধান খাবার ধানের খড়ের অসংখ্য পালা নষ্ট হয়েছে।
সে কারণে গ্রামগঞ্জে গো-খাদ্যের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। গত কয়েকদিনের ঝড়ে আমন ধানক্ষেতের কিছু অংশ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় সেগুলো কাচা অবস্থায় কেটে গরুর খাবার হিসেবে বাজারে বিক্রি করছেন কিছু কৃষক। খড় বিক্রেতারা জানান, দিনাজপুর থেকে চড়া মুল্যে ধানের আটি কিনে এনে গাইবান্ধায় বিক্রি করছেন তারা। বর্তমানে একেকটি আটি ১০ টাকা মূল্যে এবং কাঁচা আটি ৮ টাকা মূল্যে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন
জামালপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত
একটি ড্রেন বন্ধ, জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত জামালপুর সদরের ৫ গ্রাম
গাইবান্ধায় জুলাই শহীদ দিবস পালন