
কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
কাউখালীতে অধিকাংশ ঔষধ ব্যবসায়ী ফার্মেসীর মালিকরা ঔষধ বিক্রি করে ক্যাশমেমো প্রদান করছে না। অনেক ঔষধ ক্রেতার ক্যাশমেমোর প্রয়োজন হলেও উপজেলার অধিকাংশ ফার্মেসী খুঁজেও কোন ক্যাশমেমো পাওয়া যায়না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তা সাধারণ। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার অনেক ঔষধের ফার্মেসীতে ক্যাশমেমোর বিষয়ে জানতে চাইলে কেহই ক্যাশমেমো দেখাতে পারেনাই। ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমরা ক্যাশমেমো ব্যবহার করিনা। অপরদিকে আবুল কালাম, জালাল সিকদার, সাইদুল আলম নামের কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ করে বলেছেন, আমাদের নিয়মিত ঔষধ ক্রয় করতে হয়। আমরা যখন একটি ঔষধের ফাইল ও প্যাকেটজাত ঔষধ ক্রয় করি তখন তার গায়ে ঔষধের মূল্য লেখা দেখে তার দাম বুঝতে পারি। কিন্তু আমাদের অধিকাংশ ঔষধই পাতা বা স্টিভ হিসেবে ক্রয় করতে হয়, যেখানে কোন প্যাকেট থাকে না। যে কারনে ঐ ঔষধের প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে আমরা কিছুই জানতে পারি না। যারফলে ভোক্তাদের একই ঔষধ এক এক ফার্মেসীতে ভিন্ন ভিন্ন মূল্য ক্রয় করতে হয় বলেও তারা অভিযোগ করেন। একি ঔষধ একেক জায়গায় একেক ধরনের দাম রাখায় ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভোক্তারা । কম্পিউটার ব্যবসায়ী সানাউল্লা একটি ঔষধের দোকান থেকে ৫শত টাকার ঔষধ ক্রয় করার পর প্রয়োজন না হওয়ায় কিছু ঔষধ ফেরত দিতে গেলে তখন সঠিক মূল্য ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে পিরোজপুরের ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক দেবাশীষ রায় বলেন সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্যাশমেম থাকা বাধ্যতামূলক । ভোক্তা চাওয়ার মাত্রই ক্যাশ মেম দিতে বাধ্য থাকিবেন। কোন ব্যবসায়ী ক্যাশ মেমোর দিতে অস্বীকার করার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এব্যাপারে পিরোজপুর ঔষধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক রাহুল কৃষ্ণ রায় জানান, শুধু ঔষধ নয় যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভোক্তাদের ক্যাশমেমো পাওয়ার অধিকার আছে। ত্রয় রশিদ থাকলে কেউ প্রতারণা করতে পারে না। তিনি আরো বলেন ক্যাশমেমো দিতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল