
এম এ কাদির চৌধুরী ফারহান, কমলগঞ্জ:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ বিদ্যুতের রমরমা ব্যবসা। বাঁশের খুঁটিতে ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগ দিয়ে শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকান ও হোটেল আলোকিত হলেও সরকারের কোষাগারে যাচ্ছে না কোটি টাকার রাজস্ব। অন্যদিকে বৈধ সংযোগের আবেদনকারীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
শমশেরনগর, আলীনগর, মাধবপুর, ভানুগাছ ও রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় শতাধিক অবৈধ সংযোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব সংযোগে লাইট, ফ্যান, ফ্রিজ, পানির মোটর থেকে শুরু করে হোটেল পর্যন্ত চলছে নির্বিঘ্নে। মাস শেষে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিয়ে ব্যবহারকারীরা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, অথচ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
অভিযোগ রয়েছে, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এ চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সাদেক মিয়া দাবি করেন, “অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এজিএম শহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ডিজিএম রঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, “অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চা বাগান এলাকায় মুরগির ফার্মে সংযোগের বিষয়টি জেনেছি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২