হোম » সারাদেশ » বাঘায় গভীর রাতে দুই টি বাড়িতে আগুন,তিন টি গরু পুড়ে ছাই

বাঘায় গভীর রাতে দুই টি বাড়িতে আগুন,তিন টি গরু পুড়ে ছাই

আবুল হাশেম: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের মালিয়ানদহ গ্রামে গভীর রাতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বসতবাড়ির আসবাবপত্র-সহ তিনটি গরু পুড়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার (১৬ মে) রাত আনুমানিক সোয়া একটার দিকে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বাঘা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর একটি ইউনিট প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। তদের ধারনা , গরুর ঘরে কয়েল থেকে এই আগনের সুত্রপাত হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকালে স্থানীয় বিএনপি দলের রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপ্রজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার সরবরাহ করেছেন । সেই সাথ ক্ষতিগ্রস্থদের আশ্বস্ত করেছেন খুব শির্ঘই ঢেউটিন-সহ আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল হাসান বাবলু-সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় লোকজন জানান, মালিয়ানদহ গ্রামের শামীম হোসেন ও সানারুল ইসলামের গরুর ঘরে থাকা তিনটি গরুসহ তাদের বসতবাড়ির ৫টি কক্ষের আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে সব কিছু শেষ হয়ে গেছে।এলাকার লোকজন জীবন বাজি রেখে এই আগুন নিয়ন্ত্র করার চেষ্টা চালান। তা না হলে পার্শ্ববর্তী আরো অনেক বাড়িতেই আগুন লাগতে পারতো। পরে খবর পেয়ে বাঘা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর একটি ইউনিট প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে এই আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
বাড়ির মালিক শামীম হোসেন জানান, ফায়ার সার্ভিস এর দল আসার আগে গ্রামের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণ করার আপ্রান চেষ্টা করেও পারেননি। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই সব কিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, এতে তার প্রায় ৬ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধার করা একটি গরু মাংস ব্যবসায়ীর কাছে মাত্র ২০ হাজার টাকা দাম ধরে বিক্রি করেছেন। অপর দিকে সানারুল ইসলাম এরও প্রায় সমপরিমান ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
বাঘা উপজেলা সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের স্টেশন অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, গরুর ঘরে মশার কয়েলের আগুন থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে সামান্য কিছু শুকনো  খাবার দিয়েছি। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সর্বোচ্চ  সহযোগিতার জন্য বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয় কে জানিয়েছি।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!