
ভুক্তভোগী শিয়ালকোল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সারটিয়া গ্রামের ইউসুফ আলী বলেন, আমার স্ত্রীর নিকট থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেবার আশ্বাসে ৬ হাজার টাকা নেন। তিনি আরো বলেন, সারটিয়া, রাজাখার চর, বড়হামকুড়িয়া গ্রামের বেশকিছু লোকের নিকট থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা জন্য ৪/৫ হাজার টাকা নিয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইউপি সদস্য মো. হযরত আলী তাদের মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেবার আশ্বাসে তাদের নিকট থেকে চার হাজার আবার কারো নিকট থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে। বিনিময়ে তাদের কোন কার্ড করে দেননি ওই ইউপি সদস্য।
তারা আরও জানান, শুধু তাই নয় মো. হযরত আলী একাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে টিসিবির পন্যের কার্ড দেওয়ার সময় ৫’শ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়ে কার্ড নেয়। মো. হযরত আলীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। ইউপি সদস্য মো. হযরত আলী জানান, আমার ওয়ার্ডের মোট ১৪০টি কার্ড বরাদ্দ ছিলো। আমি মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড বা টিসিবি পণ্যের কার্ড বাবদ কারো নিকট থেকে কোন টাকা নেওয়া হয়নি। আমাকে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি মিথ্যা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ (ফেসবুকে) ছেড়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে শিয়ালকোল ইউনিয়নের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। ভুক্তভোগী কেউ এ বিষয়ে যদি অভিযোগ করে তাহলে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে অবগত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এই বিষয়ে যদি কেই অভিযোগ দেয় তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রামানিত হলে আইনানুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক জমজমাট বিতর্ক প্রতিযোগিতা
ভেড়ামারায় অপহরণ ব্যক্তিকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার-১
নাচোলে চলাচলে অযোগ্য রাস্তা নিজ অর্থায়নে মেরামত করছেন গ্রামবাসী