
বগুড়ার শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে আগাম আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। এতে কৃষকদের মাঝে বইছে আনন্দের ঢেউ। আগামি সাত দিনের মধ্যেই পুরোপুরি কাটা ও মাড়াই শুরু হবে। এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলন ভাল ও দাম দুটোই নিয়ে সন্তুষ্ট কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানায়, শেরপুর উপজেলায় মোট ২২ হাজার ৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের (বিনা-১৭ ও ব্রি-৭৫) ৪ হাজার ৮০ হেক্টর চাষ করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার ব্রি ৭৫ বিঘায় ১৫ থেকে ১৭ মণ ও বিনা ১৭ বিঘায় ১৪ থেকে ১৫ মণ ফলন পাওয়া যাচ্ছে। আগামি ৭ দিন পর থেকেই ৪৯ জাতের ধান কাটা শুরু হবে।
খামারকান্দি গ্রামের কৃষক মামুনুর রশিদ জানান, ধানের প্রত্যাশিত ফলন পাইনি তবে একেবারেই খারাপ হয়নি। ধান চাষে খুব একটা লাভ হয়না কিন্ত নিজেদের খাওয়া ছাড়াও গরুর খড়ের কারনে ধান চাষ করতেই হয়। কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ফলন ভালো হয়েছে প্রতি বিঘা জমিতে ১৮ থেকে ২০ মন ধান পাওয়ার আশা করছি। এবার আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে রয়েছে ধানের দাম বেশি বলছে অন্যান্য বছরের চাইতে।
শেরুয়া দহপাড়ার চাল ব্যবসায়ী হবিবর রহমান হবি জানান, ৭৫ জাতের নতুন ধান প্রকার ভেদে ১২শ থেকে ১৩শ টাকায় কিনছি। এখন প্রতিদিই ধানের আমদানি বাড়বে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফারজানা আক্তার জানান, এবার বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা যায়নি, প্রত্যাশিত ফলন হওয়ার পাশাপাশি বাজারে দাম বেশ ভাল রয়েছে।
-আবু জাহের-

আরও পড়ুন
গোপালপুরে বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এর বাবা ইন্তেকাল করেছেন
বগুড়ায় ২ বছরের শিশুকে অপহরণ চেষ্টা, প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন