
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সেনাবাহিনীর ভয় দেখিয়ে জায়গা জমি দখলের চেষ্টা করছে ভূমিদস্যুরা। গত ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সূত্রে জানা যায়, সাতবাড়িয়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আলীর ছেলে আবু তাহের বাবুল ও কামাল হোসেন বক্কর নামীয় ব্যক্তিদ্বয় গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর পরিষদে উপস্থিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শওকত হোসেন’কে বলেন যে আমাকে সেনাবাহিনীর মেজর পাঠিয়েছে আপনার কাছে।আপনাকে বলতে বলছে যে সাংবাদিক আজিমুশ শানুল হক দস্তগীর ও দিদারুল হকের পরিবারের সাথে বাবুল ও বক্করের পরিবারের ১৯৯১ সালের সালিশী রোয়োদাদ অনুযায়ী আমার জায়গা আমাকে বুঝিয়ে দিয়ে পাকা দেয়াল নির্মাণের ব্যবস্থা করে দিতে । এবং দুই দিনের মধ্যে বিচার কার্য শেষ করে সেনাবাহিনীকে প্রতিবেদন দিতে। বিষয়টি চেয়ারম্যান সাংবাদিক শানুর দস্তগীর’কে ফোনে জানায় এবং বলে যে বক্কর ও বাবুল তোমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিছে সেনাবাহিনীর নিকট । তুমি সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করে ১৫ /২০ দিন সময় নিয়ে দিলে বিচার কার্য সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এরপর সাংবাদিক শানুর দস্তগীর চন্দনাইশ উপজেলায় দায়িত্ব প্রাপ্ত সেনাবাহিনীর অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে যে এই রকম কোন অভিযোগ আমার কাছে আসে নাই এবং চেয়ারম্যানের কাছে যাওয়ার কথা ও কাউকে বলি নাই। এটা ভূয়া এবং মিথ্যা একটি সংবাদ। চেয়ারম্যানকে আমাকে ফোন করতে বলবেন আমি বলে দিব যাতে গুজবে কান না দেয় ।
এই বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর অফিসার মো.শহীদুল ইসলাম খোকন বলেছেন এই রকম কোন অভিযোগ আমার কাছে আসে নাই এবং চেয়ারম্যানের কাছে যাওয়ার কথা ও কাউকে বলি নাই। এটা ভূয়া এবং মিথ্যা একটি সংবাদ। চেয়ারম্যানকে আমাকে ফোন করতে বলবেন আমি বলে দিব যাতে গুজবে কান না দেয় । সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া তথ্য দিয়ে বিশৃঙ্খলা করার কোন সুযোগ নেই। সাতবাড়িয়ার ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন জানান বক্কর এবং বাবুল আমাকে এসে সেনাবাহিনী পাঠিয়েছে বলে দুই দিনের মধ্যে বিচার কার্য সম্পাদন করে জায়গা উদ্ধার করে দিতে বলে। পরবর্তীতে জানতে পারলাম বিষয়টি ভূয়া। এই বিষয়ের সাথে সেনাবাহিনীর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। সেনাবাহিনী কোন আদেশ দেন নাই এবং বক্কর, বাবুলও কোন অভিযোগ সেনাবাহিনীর কাছে করে নাই।
সাংবাদিক আজিমুশ শানুল হক দস্তগীর বলেছেন, আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সন্ত্রাসী নিয়ে জবর দখল করার জন্য ভূমিদস্যু বক্কর ও বাবুল সেনাবাহিনীর নাম ব্যবহার করে চেয়ারম্যানকে ভয় দেখিয়ে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দখলের চেষ্টা করে। কিন্তু চেয়ারম্যানে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিষটি খোঁজ নিতে বলে। সেনা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে দেখা যায় যে বিষয়টি ভূয়া এবং মিথ্যা। মূলত এক সপ্তাহ আগে কিছু সন্ত্রাসী নিয়ে জায়গা দখলে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ভূয়া মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে জায়গা দখলে নিতে চেয়েছিল।
-চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি-

আরও পড়ুন
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি
চিলাহাটি রেলস্টেশনে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা