হোম » সারাদেশ » চন্দনাইশে সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ১১২জনের নামে মামলা

চন্দনাইশে সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ১১২জনের নামে মামলা

২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে চন্দনাইশ পৌরসদর আইডিয়াল স্কুল ভোট কেন্দ্রে গোলাগুলির ঘটনায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীসহ ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০/২৫ জন আসামী দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গোলাগুলি ও বিষ্ফোরন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। গত ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে মধ্যম চন্দনাইশের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি পৌরসভা গণতান্ত্রিক শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি।
মামলায় সাবেক শ্রম ও কর্সংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, গত জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত এমপি প্রার্থী আবদুল জব্বার চৌধুরী, চন্দনাইশ পৌরসভার মেয়র মাহাবুবুল আলম খোকা, প্রতিমন্ত্রীর ভাই জসীম উদ্দীন চৌধুরী মন্টু, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ জুনু, দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সদস্য আবদুল কৈয়ুম চৌধুরী, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এসএম মুছা তছলিম, প্রতিমন্ত্রীর ভাগিনা চেয়ারম্যান আমিন আহমেদ চৌধুরী রোকন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা তানভীরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আফতাব মাহামুদ শিমুল, ডাক্তার মনসুর আলমসহ ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাবনের পূর্ব রাত ১টার সময় আসামীগণ সংঘবদ্ধভাবে ককটেল ফাটিয়ে, বিষ্ফোরক ঘটিয়ে ভোট ডাকাতির সময় মামলার বাদিসহ স্থানীয়রা বাধা প্রদান করে। এসময় আসামীগণ এলোপাতাড়ি গুলি করলে ১৬ জন গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ ও অনেকে আহত হয়। খবর পেয়ে এলডিপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কর্ণেল অলি প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন। প্রশাসনের লোকজন আহতদেরকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট হাসপাতাল ও চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। গুলিবিদ্ধ আহতদেরকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে অনেকের শরীরে গুলির জখম ও ভিতরে গুলির অংশ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এসময় আসামীরা ২০টি মোবাইল, নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার কারণে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয় বলে উল্লেখ করা হয়। মামলা দায়েরের বিষয়ে সত্যতা শিকার করেছেন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা।
চন্দনাইশ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি-
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!