
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে তালুক নগর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: হাবিবুর রহমানকে জোর করে পদত্যাগ করানোর অভিযোগ উঠেছে । সরেজমিনে জানা যায় ৭ই আগষ্ট স্থানীয় জনতা, ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কর্মীরা ওই কলেজে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কে জোর করে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করান বলে অভিযোগ করেন অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান।তিনি আরো জানান, শাহীন, কাউসার, হাবেল ও সিরাজুল এর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের মত ছাত্রলীগের লোকজন আমার সাথে নানাভাবে খারাপ আচরণ করেন। উত্তেজিত জনতা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নানাভাবে প্রশ্ন করে নাজেহাল করে।
তিনি আরোও জানান আমি ভয়ে স্বাক্ষর করি । এবং তালুক নগর ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষের যোগসাজেসে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন । এবং আরো বলেন গত ১১ আগষ্ট স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আমাকে কলেজে ডেকে নিয়ে সবার সামনে ঘটনার নিন্দা জানান এবং কলেজে উপস্থিত থেকে পুনরায় কলেজ পরিচালনা করার সাহসদেন।
এবিষয়ে তালুক নগর কলেজের উপাধ্যক্ষ মো : জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে জানান আমার বিরুদে যে অভিযোগ করা হয়েছে সব মিথ্যা । অপপ্রচার এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
এ বিষয়ে স্থানীয় আব্দুস সামাদ জানান (৪০) বলেন, তালুক নগর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ একজন ভাল মানুষ , তার চাকরি জীবনে কোনো প্রকার অনিয়ম দেখি নাই । অফিস কক্ষে ঢুকে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক কাগজে স্বাক্ষর নেয়। এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বারাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন ।
তিনি আরো বলেন, যেখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা কাউকে জোর করে পদত্যাগ করতে নিষেধ করছেন, অথচ আমাদের তালুক নগর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সাথে এমন অন্যায় মেনে নিতে পারছিনা।
-মোঃ জাহাঙ্গীর আলম-

আরও পড়ুন
তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাবি চুরির অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন