হোম » সারাদেশ » সোনাইমুড়ীতে সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ. এসব দেখার কেউ নেই

সোনাইমুড়ীতে সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ. এসব দেখার কেউ নেই

মোহাম্মদ হানিফ, গোনাইমুড়ী, নোয়াখালী প্রতিনিধি : দখল-দূষণে হারিয়ে যাচ্ছে নোয়াখালীর এক সময়ের খরস্রোতা মহেন্দ্র খাল। সেচ প্রকল্পের আওতায় পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ খালটি ঐতিহ্যবাহী মহেন্দ্র খাল অস্তিত্ব হারিয়ে দখলদারদের কবলে!খালখেকো সহ স্থানীয় প্রভাবশালী মহল একীভূত ও আঁতাত করে বজরা ইসলামগঞ্জ বাজারের মুদি দোকান ব্যবসায়ী শরবত উল্লাহর ছেলে ইসমাইল হোসেন এই খালের জমি দখল করেছেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জেলা পরিষদ থেকে লিজের অজুহাতে দখল হয়ে যাচ্ছে সরকারি খাল।  পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা। অপর দিকে দখলদারেরা তুলছে ভবন, গড়ছে মার্কেট। সামনের বৃষ্টি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। আর এ কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির যোগসাজস রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ইসলামগঞ্জ বাজারের মহেন্দ্র খালের নির্মাণাধীন ব্রিজের দুইপাশ দখল করে নিয়েছে অবৈধ ভূমি দস্যুরা। খাল দখল করে বাঁশ, কাঠ, টিন, দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য দোকান ঘর। অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা এসব দোকানের কারনে বন্ধ হয়ে গেছে পানি প্রবাহ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতে এভাবেই নির্মিত হচ্ছে স্থাপনা। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সাবেক  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন. অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে । বর্তমানে মহেন্দ্র খাল অস্তিত্ব হারিয়ে দখলদারদের কবলে! এবংখালখেকো সহ স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা যোগ সাজিয়েছে  ও আঁতাত করে বজরা ইসলামগঞ্জ বাজারের মুদি দোকান ব্যবসায়ী শরবত উল্লাহর ছেলে ইসমাইল হোসেন এই খালের খাল দখল করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ইসলামগঞ্জ বাজারের একজন ব্যবসায়ী  বলেন ।  বাজারের এক ব্যবসায়ী খালের উপরে স্থানীয় নেতাদের জোক সাজেছে  এই খাল দখল করেছে। এবং , জোর খাটিয়ে খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে ভূমিখেকোরা। আমরা বেশ কয়েকবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও উল্টো আমাদের মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে।
নাম প্রকাশে  অনিচ্ছু   সাবেক স্থানীয় একজন ইউপি  সদস্য বলেন. খালের মুখ বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহের মুখ বন্ধ হয়ে বসতবাড়িসহ চাষের জমিতে পানি প্রবাহিত হয়। এতে একদিকে যেমন সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, অপরদিকে ফসল ক্ষতি হয়ে লোকসানের মুখে পড়তে হয় এই এলাকার লোকজন  । আমরা এ বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাইনি।
উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা  বলেন, সরকারি জায়গা দখলকারী সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ সরকারি জায়গা বা সরকারি খাল দখল করার চেষ্টা করলে আমরা তাৎক্ষণিক তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। এ নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি
জেলা পরিষদের খাল অবৈধ ভাবে দখল করে দোকান নির্মাণের বিষয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুরে সাথে মুঠোফেনে কথা হয় প্রতিবেদকের। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, সরকারি কোন খাল উপজেলার কাওকেই লিজ দেওয়া হয়নি।  অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সোনাইমুড়ী থানা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। দ্রুতই এসকল দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে খাল দখল মুক্ত করা হবে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!