
শাহজাহান সিরাজ: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আশংকাজনকভাবে নিচে নেমে গেছে পানির স্তর। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরায় পুকুর এবং খালবিল শুকিয়ে যাওয়ায় এই অবস্থা আরো প্রকট আকার ধারণ করছে। এতে করে ইরিবোরো চাষে সেচ কার্যক্রম আরও সংকটের মুখে পড়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষক ও সাধারণ মানুষরা।
বরেন্দ্র এলাকাগুলো ৭ থেকে ৮ ফুট গভীরে গর্ত করে পাম্প বসিয়ে ফসলি জমিতে দিতে হচ্ছে সেচ। পানির স্তর নিচে নামায় চাপকল ও বসতবাড়ির নলকুপে ও পাম্পে পানি না ওঠায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে মানুষ। বাধ্য হয়ে খাওয়ার পানির জন্য নতুন করে একাধিক স্থানে বোড়িং করছেন অনেকেই। পানির এমন সংকটে হুমকির মুখে পড়েছে স্থানীয়দের জীবন যাত্রা।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ ও দীর্ঘ খরা আর অনাবৃষ্টিতে শুকিয়ে গেছে অনেক পুকুর ও খাল বিল। এতে অনেক এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। বিশেষ করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বরেন্দ্র এলাকার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের ভুগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামতে থাকায় সেচ সংকট দেখা দিয়েছে। পানির স্তর আশংকাজনক হারে কমে যাওয়ায় বেশির ভাগ অগভীর সেচ মেশিনে পানি উঠছে না। সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ি ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী গ্রামে একই অবস্থা।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২