
মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী কক্সবাজার: মহেশখালীর গোরকঘাটা উপকূলীয় রেঞ্জের আওতাধীন শাপলাপুর জে এম ঘাট বনবিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহার ও মৌলভীরকাটার বন খেকো জনৈক যুবলীগ কর্মী ওয়াহিদুল কবির নোবেলের সাথে আতাঁত করে যৌথ মালিকানাধীন চিংড়ী ঘের করার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মৌলভীকাটা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এই চিত্র। উপকূলীয় বন বিভাগের সৃজিত প্যারাবন ও গোলপাতা গাছ কেটে পুড়িয়ে এভাবে বাঁধ দিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে একের পর এক চিংড়ি ঘের। প্যারাবন কেটে চিংড়িঘের গড়া রোধ করা যাচ্ছেনা কিছুতে।
এ চিংড়ী ঘেরটি করা হচ্ছে উপজেলার শাপলাপুর মৌলভীকাটা গ্রামের পৃর্ব পাশে। সেখানে সৃজিত গোল পাতা (উম গাছ) এর বাগানে পেট্রোল দিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে। যার ফলে কয়েক শত গোলপাতার বৃক্ষ লাল হয়ে আধা মরা অবস্থায় রয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, উক্ত বিষয়ে বনবীটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহার কে অবগত করা হলে ঐ বাঁধ কেটে দেয়ার জন্য উল্টো তিনি টাকা দাবী করেন। তিনি সহ অনেকে জানান, উক্ত আজহার বনখেকোদের সাথে শেয়ার ভিত্তিক এ ঘেরটি নির্মাণ করছে।
অভিযুক্ত বীট কর্মকর্তা আজহার থেকে জানতে চাইলে তিনি বন খেকোর সাথে কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে জানান।

আরও পড়ুন
জামালপুরে অস্তিত্বহীন রাইসমিলের নামে সরকারি বরাদ্দের অভিযোগ, খাদ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মেলান্দহে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ ধরা পড়ল স্বামী-স্ত্রী
ডিমলায় একদিনে পাঁচ খাতে সরকারি সহায়তা বিতরণের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য