
রায়হান শেখ, মোল্লাহাট, বাগেরহাট প্রতিনিধি
সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ ব্যবস্থাপনা হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী জৈব সার ও রাসায়নিক সার যেমনঃ মুখ্য পুষ্টি উপাদান – নাইট্রোজেন (N) ফসফরাস (P) পটাশিয়াম (k) ও অন্যান্য গৌন পুষ্টি উপাদান যেমন জিং (Zn) বরণ (B) ম্যাগনেসিয়াম (Mg)সঠিক অনুপাতে প্রয়োগ করা হয়.
এটি মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং ফসলের সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করে।
সুষম সার মাটির গঠন উন্নত করে ফসলের সুষম বৃদ্ধি এবং শিকড় কে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ফলন বৃদ্ধি করে এবং ফসলের গুণগত মান উন্নত করে। ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ফলে রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।মাটির উর্ভরতা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরবর্তী ফসলের জন্য অনুকূল থাকে।
সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার না করলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। ফসলে গুণগত মান নষ্ট হয়।
মাটির পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। ফয়লের রোগ ও পোকামাকড় আক্রমণ বেশি হয়। আমন মৌসুমে একর প্রতি সার প্রয়োগর মাত্রা। জৈব সার ২ থেকে ৩ টান। ইউরিয়া ৭০ থেকে ৮০ কেজি (ইউরিয়া সার ২ থেকে ৩ কিস্তিতে দিতে হবে) টিএসপি ৪০ থেকে ৫০ কেজি। এম ও পি ৩০ থেকে ৪০ কেজি। জিং ৩ কেজি। বোরন ২ থেকে ৩ কেজি। ম্যাগনেসিয়াম ৫ থেকে ৬ কেজি। জিপসাম ১৫ থেকে ২০ কেজি।
বিঃদ্রঃ জমির উর্বরতা অনুসারে সারের পরিমাণ কম বেশি হতে পারে। খামারি অ্যাপস ব্যবহার করে আমরা সার প্রয়োগ করতে পারি।
নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি অফিসার অথবা উপজেলা কৃষি অফিস এ-র পরামর্শ গ্রহন করতে হবে।

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক