
এইচ এম কাওসার মাদবার, বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনা জেলার আমতলী শিশু পার্ক থাকলেও শিশুদের বিনোদনের কোনো সুব্যবস্থা নেই। উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্র বাসভবন সংলগ্ন শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য নির্মিত একমাত্র পার্কটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পার্কটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিন পার হলে শিশু পার্কটিতে আধুনিকতার ছোঁয়া কখনই লাগেনি। হয়নি কোনো সংস্কার কাজ। লোহার খেলনাগুলো মরিচা ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে যেন দেখার কেউ নেই। ফলে কোমল মতি শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে তাদের বিনোদন থেকে।
২০০৩ সালে শিশুদের বিনোদনের কথা চিন্তা করে তৎকালীন সরকার এলজিইডির মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন সংলগ্ন পূর্বপাশে একটি খোলা মাঠ ঘিরে উপজেলার কর্মকর্তাদের থাকার কোয়ার্টার এরিয়ার ভিতরে বিনোদনের জন্য একটি শিশু পার্ক স্থাপন করা হয়। পার্কটি স্থাপনের পর কিছু সময় শিশুদের আনাগোনা বেড়ে যায়। পার্কের ভিতরে থাকা শিশুদের খেলনাগুলো মরিচা ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়লে শিশুদের আনাগোনা কমে যায়। উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ও তার আশপাশ এলাকাগুলোতে অসংখ্য শিক্ষিত লোকের বসবাস এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্তেও শিশুদের বিনোদন ও খেলাধুলার জন্য আজও কোন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়নি। উপজেলার শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও বিনোদনের মনন বিকাশে উপজেলা শিশু পার্কটির পরিধি বিস্তৃত্ব করে পযাপ্ত পরিমান খেলনার উপকরন, ও সৌদর্য বৃদ্ধি করতঃ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচেতন নাগরিকদেও সুদৃস্টি কামনা করেন স্থানীয় অভিভাবকগণ।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আমতলীর শিশু পার্কটি অনেক বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।পার্কটিতে একটি মই ছাড়া আর কিছুই নেই। পার্কের মধ্যে শিশুদের চিত্ত বিনোদন এবং খেলার জন্য দোলনা, সিরি, মই, ছাতা, ঘোড়া ও মাঠের ভিতরের চার দিকে বেঞ্চ নির্মান করা হয়েছিল। শিশু পার্কটি স্থাপনের পর থেকে শিশুদের আনাগোনা ভাল ছিল। শিশুরা তাদের বাবা মায়ের সাথে এসে পার্কটিতে খেলাধুলা করে সময় কাটাতো। কিন্তু নির্মানের দু-তিন বছর যেতে না যেতেই শিশু পার্কে নির্মিত লোহার খেলনাগুলো মরিচা ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হয়নি কোনো সংস্কার কাজ। সংস্কারের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় আস্তে আস্তে শিশুদের খেলনাগুলো পুরোটাই ধংস হয়ে যায়। অকেজো খেলনা গুলো অনেকটা চুরি হয়ে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা কোয়ার্টারের পাশ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত আমতলী মফিজ উদ্দীন বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী বলেন, শিশুদের জন্য নির্মিত শিশু পার্কটিতে শিশুদের খেলনার কোন উপকরন নেই। ফলে আমরা বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমতলী বকুলনেছা মহিলা কলেজের ছাত্রী সুখি আক্তার ছাবিনা বলেন, পার্ক স্থাপনার পর পার্কে অনেক সরঞ্জাম ছিল এখন তা আর নেই। শিশুদের জন্য হলেও পার্কটি পুনরায় নির্মিত করা দরকার।
এন,এস,এস নিবার্হী কর্মকর্তা অ্যাডঃ শাহাবুুুদ্দিন পান্না জানান, শিশুদের জন্য শিশু পার্কটি সংষ্কার খুবই দরকার , যাতে আমাদের সবার বাচ্চারা শিশু পার্কটিতে খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ পায় পেীর সভা যে উদ্দ্যেগ নিয়েছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। আমতলী পৌর মেয়র মতিউর রহমান বলেন, আমতলীতে কোন স্টেডিয়াম ও শিশু পার্ক না থাকায় কোমলমতি ছেলেমেয়েরা বিপদগামী হচ্ছে তিনি আমতলীতে একটি স্টেডিয়াম ও উপজেলা শিশু পার্ক সংস্কারের জন্য পেীরসভা কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন কিন্তু জায়গা না থাকায় কার্যক্রম শুরু কারা যাচ্ছে না । জয়গার সমস্যা সমাধান হলে কার্যক্রম শুরু কারা হবে। আমতলী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ বিন রশিদ এর ফোনে একাধিক বার ফোন দেয়া হলে তিনি ফোন ধরে বাস্ত বলে ফোন রেখে দেন।

আরও পড়ুন
রূপগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে আবু মাসুমের মতবিনিময় ও খাদ্য বিতরণ
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আলোচনায় মাসুম বিল্লাহ
কাউখালীতে সরকারি নির্দেশ অমান্য: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা