হোম » রাজনীতি » অনেকে দাবি-দাওয়া দিয়ে সরকারকে অতিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে : হাফিজ

অনেকে দাবি-দাওয়া দিয়ে সরকারকে অতিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে : হাফিজ

৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের মধ্যদিয়ে দেশে নতুন এক দিগন্তের সূচনা হয়। ছাত্রজনতা প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনুসকে প্রধান উপদেষ্টা করে নতুন শাসনযন্ত্র ঘোষণা করে। অন্তর্বর্তী সরকার ভঙ্গুর দশা থেকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অনেকে দাবি-দাওয়া দিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে অতিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রয়াত সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মাহতাবের স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে এ স্মরণসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল।

হাফিজ উদ্দিন বলেন, অনেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে ছাত্রদের সরকার বলছে। কিন্তু এ আন্দোলনে সারাদেশের মানুষ জীবন দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের সরকার। অনেকে দাবি-দাওয়া দিয়ে এই সরকারকে অতিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে সময় দিতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হলে সময় লাগবে। তাদের যৌক্তিক সময় দিতে চাই। এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের উদ্দেশে তিনি বিএনপির এ নেতা বলেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে আপনারা একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। জনগণের প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রের দায়িত্বভার নেওয়ার সুযোগ করে দিন।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের ছাত্র-জনতার বিপ্লব ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন প্রধান কমিশনার ঘুমান, সেই কমিশন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিলুপ্ত করুন। নইলে গণতন্ত্র আসবে কীভাবে?  বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, যেসব অস্ত্র সেনাবাহিনীর কাছে থাকার কথা, সেসব অস্ত্র শেখ হাসিনা মানুষকে দমন করার জন্য পুলিশকে দিয়েছে। মিয়ানমারের বাহিনী সীমান্তে এসে মানুষ মেরে চলে যায়, কিন্তু আমাদের বাহিনী কোনো জবাব দেয় না।  মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিঞার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় মৎস্যজীবী দলের অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা একমত হতে পেরেছেন যে, দেশ স্বৈরতন্ত্র থেকে উদ্ধার হয়েছে। ছাত্র জনতা তাদেরকে উৎখাত করেছে। এই ছাত্ররাই ভবিষ্যতে তাদের নতুন বাংলাদেশের কর্ণদ্বার তৈরি করে যাবে। তারা সব ঠিক ঠাক করে নির্দিষ্ট সময়ে দেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

-নিজস্ব প্রতিবেদক-

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!