
এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : ভৈরবে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়ার ৭ দিন পর মেঘনা নদী থেকে হেলিম মিয়া (৩২) নামে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ- থানা পুলিশ।
আজ শনিবার বিকালে নরসিংদির রায়পুরা উপজেলার তুলাতুলি এলাকায় মেঘনা নদীতে মরদেহটি নদীতে ভাসতে দেখে এলাকাবাসিরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ।
তবে নিহতের বড় ভাই সেলিম মিয়া জানান, গত রোববার দুপুরে কালিকাপ্রসাদ আদর্শপাড়া গ্রামের সালাম মিয়া, নিহত হেলিম মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় ।
তারপর থেকে সে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজর পর থেকে তার স্বজনরা অনেক খোজাঁখো জিঁ করে ও না পাওয়ায় গতকাল শুক্রবার ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সেলিম মিয়া।
তিনি আরো জানান গত ৭/৮ মাস আগে কালিকা প্রসাদ তার এলাকার আলমগীর ও জাহাঙ্গীর ২ সহোদর এবং শ্রী- নগর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের সালাম মিয়ার মাধ্যমে সেলিম মিয়াকে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। লিবিয়ায় নিয়ে তাকে জিম্মি করে মারধোর করে টাকার জন্য। তারপর বাড়ি বিক্রি করে আলমগীর ও জাহাঙ্গীর কে আরো ৩ লাখ টাকা দেয়।
এরপর গত প্রায় দেড় মাস পূর্বে লিবিয়া থেকে বাড়ি ফিরে টাকা ফেরতের জন্য প্রবাস ফেরত সেলিম মিয়া দালাল আলমগীর ও জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এলাকায় সালিশী বৈঠক করে। এতে ৮০ হাজার টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
পরে রায় অমান্য করে আলমগীর ও জাহাঙ্গীর টাল টালবাহানা করে সেলিম ও তার ভাই নিহত হেলিম মিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। তারাই তার ভাইকে হত্যা করেছে বলে দাবী করেন। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা সালিশী বৈঠকে ৮০ হাজার টাকার ফেরতের সিদ্ধান্তের রায় অমান্য করার কথা স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে ভৈরব নৌ- থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে ৩/৪ দিন আগে মারা গেছে। তবে এটি হত্যাকান্ড কি না ময়নাতদন্তের রিপোট পেলে জানা যাবে।

আরও পড়ুন
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি
চিলাহাটি রেলস্টেশনে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ